সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->বকরীর গলায় কিলাদা ঝুলান। হাঃ-১৭০৩

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বকরীর কিলাদা পাকিয়ে দিতাম আর তিনি সেগুলো পাঠিয়ে দিয়ে হালাল অবস্থায় থেকে যেতেন। (১৭৯৬) (আঃপ্রঃ ১৫৮৫, ইঃফাঃ ১৫৯২)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না হাঃ-৩০৯২

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি যেন নিজেকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানী মেষের জন্য মালা তৈরী দেখতে পাচ্ছি। তিনি তা হারামে পাঠীয়ে দেন এবং আমাদের মাঝে অবস্থান করেন ইহ্‌রামবিহীন ব্যক্তির মতো। (ই.ফা. ৩০৬৭, ই.সে. ৩০৬৪)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্’রামের সময় তাল্‌বীদ করা। [১] হাঃ-২৬৯৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর মাথায় মধ্যস্থলে (সিঁথিতে) সুগন্ধির দীপ্তি ছিল, তখন তিনি মুহরিম (ইহরাম অবস্থায়) ছিলেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিলাদা পাকান হাঃ-২৭৭৮

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীর (কুরবানীর জন্তুর) কিলাদা পাকাতাম। তারপর তিনি তাঁর হাদীকে তা পরিয়ে (মক্কাভিমুখে) পাঠিয়ে দিতেন। পরে তিনি মদীনায় অবস্থান করতেন এবং মুহরিম যা পরিহার করে, তার কিছুই পরিহার করতেন না।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিলাদা পাকান হাঃ-২৭৭৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি যেন দেখতে পাচ্ছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদীর (কুরবানীর) বকরীর জন্য আমি যে কিলাদা প্রস্তুত করতাম, (তা আমার এখনও মনে আছে) তারপর তিনি হালাল অবস্থায় অবস্থান করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ছগলকে কিলাদা পরান হাঃ-২৭৮৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদী ছাগলের কিলাদা পাকাতাম। তারপর তিনি মুহরীম (সাব্যস্ত) হতেন না।