সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না হাঃ-৩০৯৭

মাসরূক্ব (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে পর্দার আড়াল থেকে হাত তালি দিয়ে বলতে শুনেছিঃ আমি নিজ হাতে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর জন্য মালা তৈরী করে দিতাম। অতঃপর তিনি (তাঁর) কুরবানীর পশু (মাক্কায়) পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু পশু কুরবানী হওয়ার সময় পর্যন্ত তিনি এমন কোন জিনিস থেকে বিরত থাকতেন না যা থেকে সাধারণত ইহরাহমধারী ব্যক্তিগণ বিরত থাকে। (ই.ফা. ৩০৭২, ই.সে. ৩০৬৯)


সুনান নাসাঈ অঃ->কিব্‌লা বাব->সালাত আদায়কারীর সামনে সুতরা না থাকলে, যাতে সালাত নষ্ট হয় আর যাতে নষ্ট হয় না হাঃ-৭৫৫

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে ছিলাম আর তিনি সালাত আদায় করছিলেন। আমি যখন উঠে যেতে চাইলাম, তখন আমি দাঁড়িয়ে তাঁর সম্মুখ দিয়ে যাওয়াটাকে খারাপ মনে করে আস্তে আস্তে (চাদরের নিচ থেকে) বের হয়ে গেলাম।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->কিলাদা পাকান হাঃ-২৭৭৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদীর (কুরবানীর জন্তুর) কিলাদা পাকাতাম। তারপর তিনি মদীনায় অবস্থান করতেন, ইহরাম বাঁধতেন না। (অর্থাত 'ইহরাম বেঁধেছেন' বলে সাব্যস্ত হত না।)


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ছগলকে কিলাদা পরান হাঃ-২৭৮৬

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বকরীকে 'হাদী' রূপে পাঠাতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ছগলকে কিলাদা পরান হাঃ-২৭৮৮

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদী ছাগলের (কুরবানীর পশুর) কিলাদা পাকাতাম। তারপর তিনি মুহরীম (সাব্যস্ত) হতেন না।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ছগলকে কিলাদা পরান হাঃ-২৭৮৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর হাদী ছাগলের কিলাদা পাকাতাম। তারপর তিনি মুহরীম (সাব্যস্ত) হতেন না।


সুনান নাসাঈ অঃ->নিকাহ্‌ বাব->চির-কুমার থাকার নিষিদ্ধতা হাঃ-৩২১৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিবাহ না করে সংসার বিরাগী জীবন যাপন (চির কৌমার্য) হতে নিষেধ করেছেন।