সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->কুরবানীর পশুকে ইশ’আর করা। হাঃ-১৬৯৯

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিলাম। এরপর তিনি তার ইশ’আর করলেন এবং তাকে তিনি কিলাদা পরিয়ে দিলেন অথবা আমি একে কিলাদা পরিয়ে দিলাম। এরপর তিনি তা বাইতুল্লাহর দিকে পাঠালেন এবং নিজে মদীনায় থাকলেন এবং তাঁর জন্য যা হালাল ছিল তা হতে কিছুই তাঁর জন্য হারাম হয়নি। (১৬৯৬)(আঃপ্রঃ ১৫৮১, ইঃফাঃ ১৫৮৮)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->যে ব্যক্তি যুল-হুলাইফা হতে (কুরবানীর পশুকে) ইশ্‘আর এবং কিলাদা করে পরে ইহ্‌রাম বাঁধে। হাঃ-১৬৯৬

‘আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর কিলাদা পাকিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি তাকে কিলাদা পরিয়ে ইশ‘আর করার পর পাঠিয়ে দিয়েছেন এবং তাঁর জন্য যা হালাল ছিল এতে তা হারাম হয়নি। (১৬৯৮, ১৬৯৯, ১৭০১ হতে ১৭০৫, ২৩১৭, ৫৫৬৬, মুসলিম ১৫/৬৪, হাঃ ১৩২১) (আঃপ্রঃ ১৫৭৮, ইঃফাঃ ১৫৮৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->যে নিজে (মাক্কাতে) যেতে ইচ্ছা রাখে না, তার পক্ষে কুরবানীর পশু হারামে পাঠানো ও গলায় মালা পরানো এবং মালা পাকানো মুস্তাহাব, আর (প্রেরক) ইহরামকারীর অনুরূপ হবে না এবং এ কারণে তার উপর (ইহরামধারীদের মতো) কোন কিছু হারাম হবে না হাঃ-৩০৮৯

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কুরবানীর পশুর মালা বানিয়ে দিয়েছি। এরপর তিনি কুরবানীর পশুকে চিহ্নিত করেন ও গলায় মালা বেঁধে দেন। এরপর তিনি বায়তুল্লাহ পাঠিয়ে দেন এবং মাদীনায় অবস্থান করেন। ফলে তাঁর উপর এমন কোন জিনিস হারাম হয়নি যা তাঁর জন্য হালাল ছিল। (ই.ফা. ৩০৬৪, ই.সে. ৩০৬১)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->কুরবানীর পশু (মাক্কাহ্‌য়) পাঠিয়ে আবাসে অবস্থান করা হাঃ-১৭৫৭

আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নিজ হাতে রাসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কুরবানীর পশুর গলায় বাঁধার মালা পাকিয়ে দিয়েছি। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিজ হাতে তাকে ইশ‘আর করে তার গলায় ঐ মালা বেঁধে দিয়েছেন, পরে তা খানায়ে কা‘বাতে পাঠিয়ে দেন। তিনি মদিনায় অবস্থান করেছেন। কিন্তু এতে স্বাভাবিক অবস্থায় তাঁর জন্য যা কিছু হালাল ছিলো সেসবের কিছুই তাঁর জন্য হারাম হয়নি। [১৭৫৭]