‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, একদা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমার নিকট আসলেন। সে সময় দু’টি বালিকা বু’আস যুদ্ধের গৌরবগাঁথা গাচ্ছিল। তিনি এসেই বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন এবং তাঁর মুখ ফিরিয়ে রাখলেন। এমন সময় আবূ বকর (রাঃ) এলেন এবং আমাকে ধমক দিলেন এবং বললেন, আল্লাহ্র রাসূলের নিকট শয়তানের বাজনা? আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর দিকে ফিরে বললেন ওদের ছেড়ে দাও। অতঃপর যখন তিনি অন্য দিকে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন আমি বালিকা দু’টিকে খোঁচা দিলাম। আর তারা বেরিয়ে গেল।
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাহ থেকে (হাজ্জের উদ্দেশ্যে) মক্কায় যাওয়ার সময় যুল-হুলাইফাতে যুহরের সলাত আদায় করেন। অতঃপর তিনি কুরবানীর উট আনালেন এবং তার কুঁজের ডান পাশে জখম করে রক্ত প্রবাহিত করলেন, তারপর একজোড়া জুতা তার গলায় বেঁধে দিলেন। পরে তাঁর সওয়ারী আনা হলে তিনি তার পিঠে উপবিষ্ট হলেন এবং তা আল-বায়দায় তাকে নিয়ে দাঁড়ালে তিনি হাজ্জের ‘তালবিয়া’ পাঠ করলেন। [১৭৫২]
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুলজুলায়ফায় পৌঁছলেন, তখন তিনি আদেশ করলেন তাঁর উটকে ইশ্আর করতে। তারপর তাঁর উটের কুজের ডানদিকে ইশ্আর করা হলো, তার রক্ত মুছে ফেললেন এবং তার গলায় দু’খানা জুতার কিলাদা বা মালা লাগালেন। আর যখন সেটি তাঁকে নিয়ে বায়দায় পৌঁছলেন, তখন তিনি ইহ্রাম বাঁধলেন।
ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন যুল-হুলায়ফায় আগমন করলেন, তখন হাদীর (কুরবানীর জন্তুর) ডান দিকে ইশ'আর করলেন। তারপর তার রক্ত মুছে ফেললেন। পরে তাকে দু'টি জুতার কিলাদা পরালেন। তারপর তিনি তাঁর উটনীতে আরোহণ করলেন। যখন তা তাঁকে নিয়ে বায়দায় স্থির হয়ে দাঁড়াল, তখন তিনি হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন। তিনি জুহরের সময় হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন এবং হজ্জের তালবীয়া পাঠ করলেন।