‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, আমরা মুযদালিফায় (সমবেত) ছিলাম। এ সময় যাঁর উপর সূরাহ বাক্বারাহ নাযিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে বলতে শুনলাম: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ই.ফা. ২৯৫৭, ই.সে. ২৯৫৫)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) মুযদালিফাহ্ রওনার প্রাক্কালে তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন। বলা হ’ল, এ সম্ভবত বেদুঈন (হাজ্জের অনুষ্ঠানাদি সঠিকভাবে জানে না)। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেন, লোকেরা কি (রসূলের সুন্নাত) ভুলে গেছে, না পথভ্রষ্ট হয়েছে! যাঁর উপর সূরাহ্ আল বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি এ স্থানে বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” (ই.ফা. ২৯৫৮, ই.সে. ২৯৫৬)
‘আবদুর রহমান ইবনু ইয়াযীদ ও আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
তারা বলেন, আমরা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)–কে মুযদালিফায় বলতে শুনেছি যে, যাঁর উপর সূরাহ্ বাক্বারাহ্ নাযিল হয়েছে, তাঁকে আমি বলতে শুনেছি: “লাব্বায়কা আল্ল-হুম্মা লাব্বায়কা।” এরপর তিনি (ইবনু মাস‘ঊদ) তালবিয়াহ্ পাঠ করলেন এবং আমরাও তাঁর সঙ্গে তালবিয়াহ্ পাঠ করলাম। (ই.ফা. ২৯৬০, ই.সে. ২৯৫৮)
আবদুর রহমান ইবন ইয়াযীদ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমরা মুযদালিফায় ছিলাম। যাঁর উপর সূরা বাকারা নাযিল হয়েছে, তাঁকে এ স্থানে (আরবি) (তালবিয়া) বলতে শুনেছি।