উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
(সূবায় বিন মা’বাদ বলেন) “আমি ছিলাম একজন নাসারা (খৃষ্টান)। অতঃপর ইসলাম গ্রহন করি। আমি হজ্জ ও উমরার উদ্দেশ্যে ইহরাম বাধলাম। সালমান বিন রবী’আ ও যায়েদ বিন সূহান (রাঃ) উভয়ে আমাকে কাদিসিয়ায় হজ্জ ও উমরার একত্রে তালবিয়া পাঠ করতে শুনেন। তখন তারা বলেন “এই ব্যাক্তি তো উটের চেয়েও পথভ্রষ্ট। তাদের এ মন্তব্য যেন আমার উপর একটি পাহাড় নিক্ষেপ করলো। তাই আমি উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে বিষয়টি তাকে অবহিত করলাম। তিনি তাদের উভয়কে তিরষ্কার করলেন এবং আমাকে বললেন, তুমি মহানবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত পর্যন্ত পৌছাতে পেরেছো,তুমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুন্নাত অনুযায়ী আমল করেছো। হিশাম (রাঃ আঃ) তার বর্ণিত হাদীসে বলেন , শাকীক (রাঃ আঃ) বলেছেন,আমি ও মাসরূক অনেকবার (সুবাই ইব্ন মা’বাদের নিকট ) গিয়েছি এবং এ হাদীস সম্পর্কে তার নিকট জিজ্ঞাসা করেছি। [উপরোক্ত হাদীসে মোট ৫টি সনদের ২ টি বর্ণিত হয়েছে, অপর তিনটি সনদ হলোঃ] ৪/২৯৭০ (১) . উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। (সুবায়) বলেন, যুবক বয়সে আমি খৃষ্টান ছিলাম। অতঃপর ইসলাম গ্রহন করি এবং ইবাদত –বন্দেগী করার চেষ্টা করি। আমি একই সাথে হজ্জ ও উমরার ইহরাম বাধলাম.......। পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। [২৯৭০] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।