সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->জামা পরিধান করা। হাঃ-৫৭৯৪

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলোঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুহ্‌রিম কি কাপড় পরবে? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ মুহ্‌রিম জামা, পায়জামা, টুপি এবং মোজা পরবে না। তবে যদি সে জুতা না পায়, তা হলে পায়ের গোড়ালির নীচে পর্যন্ত (মোজা) পরতে পারবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬৬)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পশমহীন চামড়ার জুতা ও অন্যান্য জুতা। হাঃ-৫৮৫২

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নিষেধ করেছেন, ইহ্‌রাম বাঁধা ব্যক্তি যেন জাফরান কিংবা ওয়ার্‌স ঘাস দ্বারা রং করা কাপড় না পরে। তিনি বলেছেনঃ যার জুতা নেই, সে যেন মোজা পরে এবং পায়ের গোড়ালির নীচ থেকে (মোজার উপরের অংশ) কেটে ফেলে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩২২)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮৩

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুহরিম ব্যক্তিকে জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, কারও চপ্পল না থাকলে সে মোজা পরিধান করবে এবং পায়ের গোছার নীচ বরাবর এর উপরিভাগ কেটে ফেলবে। (ই.ফা. ২৬৬০, ই.সে. ২৬৫৯)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->কাপড় ও জুতা না থাকলে মুহরিম ব্যক্তি পাজামা ও মোজা পরিধান করবে হাঃ-২৯৩২

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, কোন ব্যক্তি জুতা সংগ্রহ করতে না পারলে মোজা পরিধান করবে। সে যেন গোছার উপরিভাগ কেটে নেয়। [২৯৩২] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->যার জুতা নেই তার জন্য ইহ্‌রাম অবস্থায় মোজা পরার অনুমতি হাঃ-২৬৭৯

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি যে, যখন মুহরিমের তহবন্দ (ইযার খোলা লুংগী) না থাকে, তখন সে পায়জামা পরতে পারে, আর যখন জুতা না থাকে, তখন মোজা পরতে পারে। কিন্তু সে যেন সে দু’টিকে গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত কেটে নেয়।