সহিহ বুখারী অঃ->ইল্‌ম বাব->প্রশ্নকারীর প্রশ্নের চেয়ে বেশী উত্তর প্রদান। হাঃ-১৩৪

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল, ‘মুহরিম কী কাপড় পরিধান করবে?’ তিনি বললেনঃ ‘জামা, পাগড়ী, পাজামা, টুপি, এবং কুসুম বা যা’ফরান রঙ্গে রঞ্জিত কোন কাপড় পরিধান করবে না। জুতা না পেলে চামড়ার মোজা পরতে পারে, তবে এমনভাবে কেটে ফেলতে হবে যাতে মোজা দু’টি পায়ের গিরার নিচে থাকে। (৩৬৬, ১৫৪২, ১৮৩৮, ১৮৪২, ৫৭৯৪, ৫৮০৩, ৫৮০৫, ৫৮০৬, ৫৮৪৭, ৫৮৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৬)


সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->জামা, পায়জামা, জাঙ্গিয়া ও কাবা [১] পরে সালাত আদায় করা। হাঃ-৩৬৬

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, ইহরামকারী কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, সে জামা পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপি পরবে না, যাফরান বা ওয়ার্‌স [১] রঙের রঞ্জিত কাপড় পরবে না। আর জুতা না পেলে মোজা পরবে। তবে তা কর্তন করে পায়ের গিরার নীচ পর্যন্ত নেবে। নাফি’ (রহঃ), ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ)-সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯)


সহিহ বুখারী অঃ->হজ্জ বাব->মুহরিম ব্যক্তি যে প্রকার কাপড় পরিধান করবে না। হাঃ-১৫৪২

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! মুহরিম ব্যক্তি কী প্রকারের কাপড় পরবে? আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ সে জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করবে না। তবে কারো জুতা না থাকলে সে টাখ্‌নুর নিচ পর্যন্ত মোজা কেটে (জুতার ন্যায়) পরবে।[৫৩] তোমরা জা’ফরান বা ওয়ার্‌স (এক প্রকার খুশবু) রঞ্জিত কোন কাপড় পরবে না। [আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহঃ) বলেন, মুহরিম ব্যক্তি মাথা ধুতে পারবে। চুল আঁচড়াবে না, শরীর চুলকাবে না। মাথা ও শরীর হতে উকুন যমীনে ফেলে দিবে।](১৩৪, মুসলিম ১৫/১, হাঃ ১১৭৭, আহমাদ ৪৮৩৫) (আঃপ্রঃ ১৪৪১, ইঃফাঃ ১৪৪৭)


সহিহ বুখারী অঃ->ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকার ও অনুরূপ কিছুর বদলা বাব->মুহরিম পুরুষ ও মুহরিম নারীর জন্য নিষিদ্ধ সুগন্ধিদ্রব্য। হাঃ-১৮৩৮

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ইহরাম অবস্থায় আপনি আমাদেরকে কী ধরনের কাপড় পরতে আদেশ করেন? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পায়জামা, পাগড়ী ও টুপী পরিধান করবে না। তবে কারো যদি জুতা না থাকে তাহলে সে যেন মোজা পরিধান করে তার গিরার নীচ হতে এর উপরের অংশটুকু কেটে নিয়ে তোমরা যাফরান এবং ওয়ারস্‌ লাগানো কোন কাপড় পরিধান করবে না। মুহরিম মহিলাগণ মুখে নেকাব এবং হাতে হাত মোজা পরবে না। মূসা ইব্‌নু ‘উকবাহ, ইসমা’ঈল ইব্‌নু ইবরাহীম ইব্‌নু ‘উকবাহ, জুওয়ায়রিয়া এবং ইব্‌নু ইসহাক (রহঃ) নিকাব এবং হাত মোজার বর্ণনায় লায়স (রহঃ)- এর অনুসরণ করেছেন। ‘উবাইদুল্লাহ (রহঃ) ----- এর স্থলে ------ বলেছেন এবং তিনি বলতেন, ইহরাম বাঁধা মেয়েরা নিকাব ও হাত মোজা ব্যবহার করবে না। মালিক (রহঃ) নাফি’ (রহঃ)- এর মাধ্যমে ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, ইহরাম বাঁধা মেয়েরা নিকাব ব্যবহার করবে না। লায়স ইব্‌নু আবূ সুলায়ম (রহঃ) এ ক্ষেত্রে মালিক (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।


সহিহ বুখারী অঃ->ইহ্‌রাম অবস্থায় শিকার ও অনুরূপ কিছুর বদলা বাব->জুতা না থাকলে মুহরিম ব্যক্তির মোজা পরিধান করা। হাঃ-১৮৪২

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুহরিম ব্যক্তি কোন্‌ কাপড় পরিধান করবে এ সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ি, পায়জামা, টুপী এবং যাফরান কিংবা ওয়ারস্‌ দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ব্যবহার করতে পারবে না। যদি তার জুতা না থাকে তা হলে মোজা পরবে, তবে মোজা দু’টি পায়ের গিরার নিচ হতে কেটে নিবে।


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->টুপি হাঃ-৫৮০৩

আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! মুহরিম কী কী পোশাক পরবে? রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরবে না। তবে যার জুতা নেই, সে শুধু মোজা পরতে পারবে, কিন্তু মোজা দু’টি পায়ের গোড়ালির নীচ থেকে কেটে ফেলবে। আর যা’ফরান ও ওয়ার্‌স রং লেগেছে, এমন কাপড় পরবে না।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৪)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পায়জামা প্রসঙ্গে হাঃ-৫৮০৫

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললঃ হে আল্লাহ্‌র রসূল! আমরা যখন ইহরাম বাঁধি, তখন কী পোশাক পরতে আমাদের নির্দেশ দেন? তিনি বললেনঃ তোমরা জামা, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরবে না। তবে যার জুতা নেই, সে পায়ের গোড়ালির নীচে পর্যন্ত মোজা পরবে। আর তোমরা এমন কোন কাপড়ই পরবে না, যাতে যা’ফরান বা ওয়ার্‌স রং লেগেছে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৬)


সহিহ বুখারী অঃ->পোশাক-পরিচ্ছদ বাব->পাগড়ী প্রসঙ্গে হাঃ-৫৮০৬

সালিমের পিতা থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহ্‌রিম জামা, পাগড়ী, পায়জামা ও টুপি পরতে পারবে না। যা’ফরান ও ওয়ারস রঞ্জিত কাপড়ও নয় এবং মোজাও নয়। তবে সে ব্যক্তি ছাড়া, যার জুতা নেই। যদি সে জুতা না পায় তাহলে দু’ মোজার পায়ের গোড়ালির নীচে থেকে কেটে নিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর নিকট জানতে চাইল যে, মুহরিম ব্যক্তি কী ধরনের পোশাক পরবে? রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, পায়জামা, টুপি ও মোজা পরিধান করতে পারবে না। তবে কোন ব্যক্তি চপ্পলের অভাবে মোজা পরিধান করলে তাকে পায়ের গোছার নীচ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলতে হবে। তোমরা এমন কাপড় পরিধান কর না যা জাফরান বা ওয়ারস-এর রংয়ে রঞ্জিত করা হয়েছে। (ই.ফা. ২৬৫৮, ই.সে. ২৬৫৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->হজ্জ বাব->হাজ্জ ও ‘উমরার ইহরাম অবস্থায় কী ধরনের পোশাক পরিধান করা জায়িয ও কী ধরনের পোশাক নাজায়িয এবং ইহরাম অবস্থায় সুগন্ধির ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৮২

সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হ‘ল যে, মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, টুপী, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু তার চপ্পল না থাকলে সে পায়ের গোছার নিম্নাংশ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলে তা পরিধান করতে পারবে। (ই.ফা. ২৬৫৯, ই.সে. ২৬৫৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->হজ্জ বাব->মুহরিম ব্যক্তি কেমন পোশাক পরিধান করবে? হাঃ-১৮২৩

সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিহার করবে? তিনি বললেনঃ মুহরিম ব্যক্তি জামা, টুপি, পায়জামা, পাগড়ী, জাফরান অথবা ওয়ারাস মাখা কোন কাপড় ও মোজা পরবে না। তবে যার জুতা নেই সে মোজা পরতে পারবে। কিন্তু মোজা দু’টি সে এমনভাবে কেটে নিবে যাতে তা গোছাদ্বয়ের নীচে থাকে। [১৮২৩]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->হজ্জ বাব->ইহরাম বাধা অবস্থায় যেরূপ কাপড় পরিধান করবে হাঃ-২৯২৯

আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলো , ইহরামধারী ব্যক্তি কিরূপ কাপড় পরিধান করবে? রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে জামা পরবে না, পাগড়ী পরবে না, পাজামা পরবে না, টুপি পরবে না এবং মোজা পরবে না। কিন্তু তার জুতা না থাকলে, সে মোজা পরতে পারবে, তবে পায়ের গোছা বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলবে। সে জাফরান অথবা সুগন্ধি ঘাস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ও পরিধান করবে না। [২৯২৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->হজ্জ বাব->যে ধরনের পোশাক পরা ইহরামধারী লোকের জন্য বৈধ নয় হাঃ-৮৩৩

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক লোক দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহ্‌র রাসূল ! আমাদেরকে ইহরাম অবস্থায় আপনি কি ধরণের পোশাক পরার নির্দেশ দেন? রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পাজামা, টুপি, পাগড়ী ও মোজা পরবে না। তবে কোন লোকের জুতা না থাকলে সে চামড়ার মোজা পরবে যা পায়ের গোছার নিচে থাকে। যাফরান ও ওয়ারাস রং-এ রঙ করা কোন পোশাক তোমরা পরবে না। ইহরামধারী মহিলারা মুখ ঢাকবে না এবং হাতে দস্তানা (হাত মোজা) পরবে না। -সহীহ্, ইরওয়া, সহীহ্ আবূ দাঊদ (১৬০০- ১৩০৬), আল হাজ্জুল কাবীর, বুখারী, মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্‌রাম অবস্থায় যা’ফরান এবং ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ব্যবহার নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৬৭

সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

সালিম (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, মুহ্‌রিম ব্যক্তি কিরূপে কাপড় পরিধান করবে। তিনি বলেছিলেনঃ মুহরিম ব্যক্তি জামা, বুরনুস [১] পাজামা, পাগড়ী এবং ঐ সকল কাপড়, যা ওয়ারস বা জাফরান দ্বারা রং করা হয়েছে তা পরিধান করবে না। আর (পরিধান করবে না) মোজা। কিন্তু ঐ ব্যক্তি ছাড়া, যার জুতা না থাকে। যদি জুতা না পায় তাহলে নিম্ন পর্যন্ত সে দুটি (মোজা) কেটে তা পরিধান করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মুহ্‌রিম ব্যক্তির জন্য জামা পরিধান নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৬৯

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পাগড়ি, পায়জামা, বুরনুস, মোজা তোমরা পরিধান করবে না। তবে যদি কেউ জুতা না পায়, তাহলে সে (মোটা) মোজা পরিধান করতে পারবে; আর সে যেন তা গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত কেটে নেবে। আর তোমরা ইহ্‌রাম অবস্থায় এমন কাপড় পরিধান করবে না, যাতে জাফরান অথবা ওয়ারস (রঞ্জিত হয়েছে) লেগেছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->মুহ্‌রিম নারীর জন্য ‘নিকাব’ পরিধান নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৭৩

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্‌। ইহ্‌রাম অবস্থায় আমাদেরকে কি কি কাপড় পরিধান করতে আদেশ করেন? রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা জামা, পায়জামা, পাগড়ী এবং বুরনুস পরবে না, আর মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু যদি কারো জুতা না থাকে, তবে সে পায়ের গ্রন্থির নিম্ন পর্যন্ত মোজা পরিধান করতে পারে। আর যে কাপড়ে যা’ফরান বা ওয়ারস রং লেগেছে ঐ সকল কাপড় তোমরা পরিধান করবে না, আর মুহ্‌রিম নারী নিকাব পরিধান করবে না আর হাত মোজাও পরিধান করবে না।


সুনান নাসাঈ অঃ->হজ্জের বিধি-বিধানসমূহ বাব->ইহ্‌রামে বুরনুস পরা নিষিদ্ধ হাঃ-২৬৭৫

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –কে জিজ্ঞাসা করলো যে, আমর ইহ্‌রাম অবস্থায় কি কাপড় পরিধান করবো? তিনি বললেনঃ তোমরা জামা, পায়জামা, পাগড়ী, বুরনুস ও মোজা পরিধান করবে না। তবে কারো যদি জুতা না থাকে, তাহলে সে গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত মোজা পরিধান করবে, আর যে কাপড়ে যা’ফরান কিংবা ওয়ারস –এর রং লেগেছে এমন কোন কাপড় পরিধান করবে না।