ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি তাঁকে জিজ্ঞেস করল, ‘মুহরিম কী কাপড় পরিধান করবে?’ তিনি বললেনঃ ‘জামা, পাগড়ী, পাজামা, টুপি, এবং কুসুম বা যা’ফরান রঙ্গে রঞ্জিত কোন কাপড় পরিধান করবে না। জুতা না পেলে চামড়ার মোজা পরতে পারে, তবে এমনভাবে কেটে ফেলতে হবে যাতে মোজা দু’টি পায়ের গিরার নিচে থাকে। (৩৬৬, ১৫৪২, ১৮৩৮, ১৮৪২, ৫৭৯৪, ৫৮০৩, ৫৮০৫, ৫৮০৬, ৫৮৪৭, ৫৮৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৩১, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ১৩৬)
ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, ইহরামকারী কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, সে জামা পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপি পরবে না, যাফরান বা ওয়ার্স [১] রঙের রঞ্জিত কাপড় পরবে না। আর জুতা না পেলে মোজা পরবে। তবে তা কর্তন করে পায়ের গিরার নীচ পর্যন্ত নেবে। নাফি’ (রহঃ), ইব্নু ‘উমর (রাঃ)-সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৫৯)
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
মুহরিম ব্যক্তি কোন্ কাপড় পরিধান করবে এ সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ি, পায়জামা, টুপী এবং যাফরান কিংবা ওয়ারস্ দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ব্যবহার করতে পারবে না। যদি তার জুতা না থাকে তা হলে মোজা পরবে, তবে মোজা দু’টি পায়ের গিরার নিচ হতে কেটে নিবে।
সালিমের পিতা থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মুহ্রিম জামা, পাগড়ী, পায়জামা ও টুপি পরতে পারবে না। যা’ফরান ও ওয়ারস রঞ্জিত কাপড়ও নয় এবং মোজাও নয়। তবে সে ব্যক্তি ছাড়া, যার জুতা নেই। যদি সে জুতা না পায় তাহলে দু’ মোজার পায়ের গোড়ালির নীচে থেকে কেটে নিবে।(আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৭৭)
সালিম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞেস করা হ‘ল যে, মুহরিম ব্যক্তি ইহরাম অবস্থায় কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, মুহরিম ব্যক্তি জামা, পাগড়ী, টুপী, পায়জামা, জাফরান বা ওয়ারস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় এবং মোজা পরিধান করবে না। কিন্তু তার চপ্পল না থাকলে সে পায়ের গোছার নিম্নাংশ বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলে তা পরিধান করতে পারবে। (ই.ফা. ২৬৫৯, ই.সে. ২৬৫৮)
সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞেস করলো, মুহরিম ব্যক্তি কি ধরনের কাপড় পরিহার করবে? তিনি বললেনঃ মুহরিম ব্যক্তি জামা, টুপি, পায়জামা, পাগড়ী, জাফরান অথবা ওয়ারাস মাখা কোন কাপড় ও মোজা পরবে না। তবে যার জুতা নেই সে মোজা পরতে পারবে। কিন্তু মোজা দু’টি সে এমনভাবে কেটে নিবে যাতে তা গোছাদ্বয়ের নীচে থাকে। [১৮২৩]
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে জিজ্ঞেস করলো , ইহরামধারী ব্যক্তি কিরূপ কাপড় পরিধান করবে? রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ সে জামা পরবে না, পাগড়ী পরবে না, পাজামা পরবে না, টুপি পরবে না এবং মোজা পরবে না। কিন্তু তার জুতা না থাকলে, সে মোজা পরতে পারবে, তবে পায়ের গোছা বরাবর মোজার উপরিভাগ কেটে ফেলবে। সে জাফরান অথবা সুগন্ধি ঘাস দ্বারা রঞ্জিত কাপড় ও পরিধান করবে না। [২৯২৯] তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পাগড়ি, পায়জামা, বুরনুস, মোজা তোমরা পরিধান করবে না। তবে যদি কেউ জুতা না পায়, তাহলে সে (মোটা) মোজা পরিধান করতে পারবে; আর সে যেন তা গ্রন্থির নীচ পর্যন্ত কেটে নেবে। আর তোমরা ইহ্রাম অবস্থায় এমন কাপড় পরিধান করবে না, যাতে জাফরান অথবা ওয়ারস (রঞ্জিত হয়েছে) লেগেছে।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইয়া রাসূলুল্লাহ্! মুহরিম ব্যক্তি কি কাপড় পরিধান করবে? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ জামা, পায়জামা, পাগড়ী , বুরনুস ও মোজা পরিধান করবে না, কিন্তু যে ব্যক্তি জুতা না পায়, সে মোজা পরিধান করবে, এবং সে দুটো (মোজা) পায়ের গ্রন্থির নীচ থেকে কেটে নেবে। আর ওয়ারস ও যা’ফরান মিশ্রিত (রঞ্জিত) কাপড় পরিধান করবে না।