ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনাবাসীদের জন্য যুল হুলায়ফাহ্, সিরিয়ার অধিবাসীদের জন্য আল জুহফাহ্, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল মানাযিল, ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে মীক্বাত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। তিনি আরো বলেন, এগুলো ঐসব এলাকার লোকদের মীক্বাত এবং এর বাইরের যে সব লোক হাজ্জ ও ‘উমরার উদ্দেশে ঐসব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীক্বাত। আর যেসব লোক উল্লিখিত মীক্বাতসমূহের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা স্বস্থান থেকে ইহরাম বাঁধবে, এভাবে যারা আরো ভিতরে, তারা সে স্থান হতে। এমনকি মাক্কাবাসীগণ মাক্কাহ্ থেকে তালবিয়াহ্ পাঠ করবে। (ই.ফা. ২৬৭০, ই.সে. ২৬৬৯)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মাদীনার অধিবাসীদের জন্য যুল হুলায়ফাহ্, সিরিয়ার অধিবাসীদের জন্য আল-জুহফাহ্, নাজদবাসীদের জন্য ক্বারনুল মানাযিল এবং ইয়ামানবাসীদের জন্য ইয়ালামলামকে মীক্বাত নির্ধারত করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, এগুলো উল্লেখিত এলাকার লোকদের মীক্বাত এবং বাইরের যেসব লোক হাজ্জ ও ‘উমরার উদ্দেশে ঐ সব এলাকা হয়ে আসবে, তাদের মীক্বাত। আর যেসব লোক মীকাতের অভ্যন্তরে বসবাস করে, তারা যে স্থান থেকে ইহরাম বাঁধতে ইচ্ছা করে, সে স্থান হতে। এমনকি মাক্কাবাসীগণ মাক্কাহ্ থেকে ইহরাম বাঁধবে। (ই.ফা. ২৬৭১, ই.সে. ২৬৭০)