সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->রাতের সলাতে উচ্চস্বরে ক্বিরাআত পাঠ হাঃ-১৩৩০

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সুত্রে উপরোক্ত ঘটনা অনুরুপ বর্নিত।। তবে তাতে এটা উল্লেখ নেই। তিনি আবু বাকর (রাঃ) কে বলেন তুমি একটু উচ্চস্বরে পড়বে এবং ‘উমার (রাঃ) কে বলেন তুমি একটু নিচু স্বরে পড়বে। এই বর্ননায় রয়েছেঃ হে বিলাল! আমি তোমার আওয়াজ শুনেছি। তুমি এই এই সূরাহ হতে তিলওয়াত করছিলে। বিলাল বললেন, খুবই উত্তম বাক্য, আল্লাহ একটিকে অন্যটির সাথে সুন্দরভাবে সুসজ্জিত করেছেন। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা সবাই সঠিক কাজ করেছো। [১৩৩০]


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->(স্থান-কাল ভেদে) উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করার উপর নিম্নস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করার ফযীলত হাঃ-১৬৬৩

উকবা ইব্‌ন আমির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি (স্থান-কাল ভেদে) উচ্চস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে প্রকাশ্যে দান খয়রাত করে, আর যে ব্যক্তি নিম্নস্বরে কুরআন তিলাওয়াত করে সে ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে গোপনে দান খয়রাত করে।