জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, বনু ‘উয্রাহ্ গোত্রের এক ব্যক্তি তার এক গোলামকে তার মৃত্যুর পর মুক্ত হওয়ার কথা দিলেন। অতঃপর এ সংবাদ রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কানে পৌছলে তিনি বললেন, এ ছাড়া তোমার কাছে কি আর কোন সম্পদ আছে? তিনি বললেন, না। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, এমন কে আছ যে আমার কাছ থেকে এ গোলামটিকে ক্রয় করবে? নু’আয়ম ইবনু ‘‘আবদুল্লাহ আল ‘আদাবী (রাঃ) তাকে আটশ’ দিরহামে ক্রয় করলেন। তারপর তিনি রসূলুলাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে এ দিরহামগুলো নিয়ে আসলেন। তিনি তা গোলামের মালিককে বুঝিয়ে দিয়ে বললেন, “এ অর্থ তুমি প্রথমে তোমার নিজের জন্য ব্যয় কর, তারপর যদি কিছু বাকি থাকে তাহলে তোমার পরিবারের লোকদের জন্য তা ব্যয় কর, অতঃপর তোমার নিকটাত্মীয়দের জন্য ব্যয় কর, এরপর ও যদি কিছু অবকাশ থাকে তাহলে তা এদিকে সেদিকে ব্যয় কর”। এ বলে তিনি সামনে ডানে ও বামে হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। (ই.ফা. ২১৮২, ই.সে. ২১৮৪)
জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ আযরা গোত্রের এক ব্যক্তির তার এক দাসকে তার মৃত্যুর পর সে মুক্ত হবে এই মর্মে মুক্তি দিল। এ সংবাদ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট পৌঁছলে তিনি বলেন: এই দাস ব্যতীত তোমার নিকট অন্য কোন মাল আছে কী? সে বললো: না। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: আমার নিকট হতে এই দাসকে কেউ ক্রয় করবে কি? তখন নু‘আয়ম ইব্ন আবদুল্লাহ ঐ দাসকে আটশত দিরহামের বিনিময়ে ক্রয় করলেন এবং ঐ দিরহামের তাঁর নিকট উপস্থিত করলেন। তিনি এই দিরহাম ঐ মালিকেকে দিয়ে বললেন: প্রথমে নিজের জন্য খরচ কর। তারপর কিছু থাকলে তা পরিবারের লোকদেরকে দান কর। আরও অবশিষ্ট থাকলে আত্বীয়- স্বজনকে দান কর। তারপরও যদি থেকে যায়, তবে এরূপ, এরূপ এবং এরূপ। অর্থাৎ তোমার সামনে, তোমার ডানে এবং তোমার বামে দান কর।