সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থাকা ব্যতীত সদকা নেই। হাঃ-১৪২৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ হতে সদকা করা উত্তম। যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে, প্রথমে তাদেরকে দিবে।


সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থাকা ব্যতীত সদকা নেই। হাঃ-১৪২৭

হাকীম ইব্‌নু হিযাম (রাঃ)-এর সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, উপরের হাত (দাতার হাত) নীচের হাত (গ্রহীতার হাত) অপেক্ষা উত্তম। প্রথমে তাদেরকে দিবে যাদের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব তুমি বহন কর। প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ হতে সদকা করা উত্তম। যে ব্যক্তি (পাপ ও ভিক্ষা করা হতে) পবিত্র থাকতে চায়, আল্লাহ তাকে পবিত্র রাখেন এবং যে পরমুখাপেক্ষিতা হতে বেঁচে থাকতে চায়, আল্লাহ তাকে স্বাবলম্বী করে দেন।


সহিহ বুখারী অঃ->ভরণ-পোষণ বাব->পরিবার-পরিজনের উপর ব্যয় করা ওয়াজিব। হাঃ-৫৩৫৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ উত্তম সদকা হলো যা দান করার পরে মানুষ অমুখাপেক্ষী থাকে। উপরের হাত নীচের হাতের চেয়ে শ্রেষ্ঠ। যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে আছে তাদের আগে দাও। (কেননা) স্ত্রী বলবে, হয় আমাকে খাবার দাও, নইলে তালাক দাও। গোলাম বলবে, খাবার দাও এবং কাজ করাও। ছেলে বলবে, আমাকে খাবার দাও, আমাকে তুমি কার কাছে ছেড়ে যাচ্ছ? লোকেরা জিজ্ঞেস করলঃ হে আবূ হুরায়রা! আপনি কি এ হাদীস রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে শুনেছেন? তিনি উত্তরে বললেন, এটি আবূ হুরায়রার থলে থেকে (পাওয়া) নয় [বরং নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে]।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৫১)


সহিহ বুখারী অঃ->ভরণ-পোষণ বাব->পরিবার-পরিজনের উপর ব্যয় করা ওয়াজিব। হাঃ-৫৩৫৬

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ উত্তম দান তা-ই, যা দিয়ে মানুষ অভাবমুক্ত থাকে। যাদের ভরণ-পোষণ তোমার দায়িত্বে তাদের থেকে শুরু কর।(আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮৫২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাত আদায়কারীর সামনে সম্মুখীন হওয়া (অর্থাৎ- আড়াআড়িভাবে, লম্বালম্বি হয়ে শুয়ে থাকার প্রসঙ্গে আলোচনা) হাঃ-১০৩৪

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাত্রিতে সলাত আদায় করতেন। আমি তাঁর পাশে শুয়ে থাকতাম। আমি এ সময় ঋতুবতী ছিলাম। আমার গায়ে চাদর ছিল, এর কোন কোন অংশ তাঁর পার্শ্বদেশে ঠেকে যেত। (ই.ফা. ১০২৮ , ই.সে. ১০৩৮)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->যাকাত বাব->যে ব্যক্তি তার সমস্ত সম্পদ দান করতে চায় হাঃ-১৬৭৬

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সচ্ছলতা বজায় রেখে যে দান করা হয় সেটাই সর্বোত্তম দান। দান আরম্ভ করবে তোমার পোষ্যদের থেকে। সহীহঃ বুখারী।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->সচ্ছলতা হতে (নিজের প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত জিনিস) দান করা হাঃ-২৫৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উত্তম দান হল নিজ সচ্ছলতা অক্ষুণ্ণ রেখে (প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস) সাদাকা করা। আর উপরের হাত নীচের হাত থেকে উত্তম এবং তোমার পোষ্য থেকে দান করা শুরু করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->সচ্ছলতা হতে (নিজের প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত জিনিস) দান করা হাঃ-২৫৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উত্তম দান হল নিজ সচ্ছলতা অক্ষুণ্ণ রেখে (প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস) সাদাকা করা। আর উপরের হাত নীচের হাত থেকে উত্তম এবং তোমার পোষ্য থেকে দান করা শুরু করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->সচ্ছলতা হতে (নিজের প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত জিনিস) দান করা হাঃ-২৫৩৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উত্তম দান হল নিজ সচ্ছলতা অক্ষুণ্ণ রেখে (প্রয়োজনের অতিরিক্ত জিনিস) সাদাকা করা। আর উপরের হাত নীচের হাত থেকে উত্তম এবং তোমার পোষ্য থেকে দান করা শুরু করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->সর্বোত্তম সাদাকা কোনটি ? হাঃ-২৫৪৪

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘সর্বোত্তম সাদাকা হল; যা স্বচ্ছল অবস্থায় (সাদাকা) করা হয়। আর তুমি নিজের পোষ্যদের থেকে (সাদাকা) শুরু করবে।