আবূ সা'ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় আমরা ছোট, বড়, স্বাধীন, ক্রীতদাস- প্রত্যেকের পক্ষ থেকে এক সা' খাদ্য (অর্থাৎ গম) বা এক সা' পনির, বা এক সা' যব বা এক সা' খেজুর বা এক সা' শুষ্ক আঙ্গুর ফিত্রা হিসেবে বের করতাম। আমরা এভাবেই ফিত্রা আদায় করে আসছিলাম। শেষ পর্যন্ত যখন মু'আবিয়াহ্ (রাঃ) হাজ্জ বা 'উমরার উদ্দেশে আমাদের মাঝে গমন করলেন, তিনি লোকদের উদ্দেশে ওয়ায করলেন এবং বললেনঃ আমি জানি যে, সিরিয়ার দু' মুদ্দ লাল গম এক সা' খেজুরের সমান। সুতরাং লোকেরা তার এ অভিমত গ্রহণ করল। আবূ সা'ঈদ বলেন, কিন্তু আমি যতদিন জীবিত থাকব ততদিন পূর্বের ন্যায় যে পরিমাণে ও যে নিয়মে দিচ্ছিলাম সেভাবেই দিতে থাকব। (ই.ফা. ২১৫৩, ই.সে. ২১৫৫)
আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে বর্তমান থাকা অবস্থায় আমরা সাদকাতুল ফিতর বাবদ এক সা‘ খাদ্য (গম) বা এক সা‘ খেজুর বা এক সা‘ যব বা এক সা‘ পনির অথবা এক সা‘ কিসমিস দান করতাম। আমরা অব্যাহতভাবে এ নিয়মই পালন করে আসছিলাম। অবশেষে মুআবিয়াহ (রাঃ) মদিনায় আমাদের নিকট আসেন এবং লোকেদের সাথে আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, আমি শাম দেশের উত্তম গমের দু’ মুদ্দ পরিমাণকে এখানকার এক সা‘র সমান মনে করি। তখন থেকে লোকেরা এ কথাটিকেই গ্রহণ করে নিলো। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, আমি কিন্তু সারা জীবন ঐ হিসাবেই সদকাতুল ফিতর পরিশোধ করে যাবো, যে হিসাবে আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে তা পরিশোধ করতাম। [১৮২৯]
আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে অবস্থানকালে আমরা এক “সা” করে খাদ্য, এক “সা” খেজুর, এক “সা” যব অথবা এক “সা” পনির সাদাকায়ে ফিতররূপে আদায় করতাম। মুআবিয়া (রাঃ) সিরিয়া থেকে আগমন করা পর্যন্ত (আমরা এ পরিমানেই আদায় করতাম)। এরপর তিনি লোকদেরকে শিক্ষা দিতে গিয়ে বলতে লাগলেন যে , সিরিয়ার দু’ মুদ্দ (সের) গম আমাদের (দেশীয় এক “সা”) যব, খেজুর ইত্যাদি) এর সমপরিমান হবে বলেই আমার মনে হয়। রাবী বলেন, এরপর লোকজন এর উপরেই আমল করতে শুরু করে দিল।
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে এক “সা” খজুর, এক “সা” যব, এক “সা” শুষ্ক আঙ্গুর, এক “সা” আটা , এক “সা” পনির অথবা সূল্ত সাদাকায়ে ফিতর রূপে আদায় করতাম।