সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->জানাযাহ বাব->রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর (অন্তিম) রোগ। হাঃ-১৬২২

মাসরূক থেকে বর্নিতঃ

আয়িশাহ্‌ (রাঃ) বলেছেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর চাইতে আর কারো অত কঠিন মৃত্যুযন্ত্রণা দেখিনি। [১৬২০]


সুনান নাসাঈ অঃ->উভয় ঈদের সালাত বাব->ইমামের খুৎবায় সদকার প্রতি উদ্বুদ্ধ কর হাঃ-১৫৮০

হাসান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) একবার বসরায় খুৎবা দিচ্ছিলেন, তিনি বললেন, তোমরা স্বীয় সাওমের যাকাত আদায় কর। তখন লোকেরা একে অন্যের দিকে তাকাতে লাগল। তিনি বললেন, এখানে মদীনার অধিবাসী কে কে আছ? তোমরা তোমাদের ভাইদের কাছে যাও এবং তাদের দীনী ইলম শিক্ষা দাও। যেহেতু তারা জানে না যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ছোট, বড়, আযাদ, গোলাম, পুরুষ এবং মহিলা সবার উপর অর্ধ সা‘ গম বা এক সা‘ খেজুর এবং যব ফরয করেছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->সাদাকায়ে ফিতরের পরিমান হাঃ-২৫০৮

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তোমরা নিজ নিজ সাদাকায়ে ফিতর আদায় করে দাও। তখন তারা একে অপরের দিকে তাকাতে লাগলেন। তিনি বললেন, এখানে মদীনার অধিবাসী কারা কারা আছ? তোমরা দাঁড়াও এবং তোমাদের সাথীদেরকে শিক্ষা দাও। যেহেতু তারা জানে না যে, এ সাদাকায়ে ফিতর রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক পুরুষ, নারী, স্বাধীন এবং গোলাম ব্যক্তির উপর এক “সা” করে যব অথবা খেজুর অথবা অর্ধ “সা” করে গম ওয়াজিব করে দিয়েছেন। তখনি তারা দৌড়ালেন এবং লোকদের তা’লীম করলে তারা তা আদায় করে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়ে গেলেন)।