সুনানে আবু দাউদ অঃ->যাকাত বাব->সদাক্বাতুল ফিতর কি পরিমাণ দিতে হবে ? হাঃ-১৬১৮

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি সর্বদা এক সা’ ফিতরাহই দিবো। কেননা আমার রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুগে এক সা’ খেজুর বা এক সা’ যব কিংবা এক সা’ কিসমিস দিতাম। এটা ইয়াহইয়া বর্ণিত হাদীস। সুফয়ান বর্ধিত করেনঃ অথবা এক সা’ আটা। ইমাম হামিদ (রহঃ) বরেন, মুহাদ্দিসগণ এ বাক্যটি গ্রহণ করেননি। পরবর্তীতে সুফয়ান এ কথাটি পরিহার করেছেন। দুর্বল। ইমাম আবূ দাঈদ (রহঃ) বলেন, আসলে এ বর্ধিত কথাটি সুফয়ান ইবনু ‘উয়াইনার অনুমান।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) হাঃ-২৫১২

আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের মাঝে অবস্থানকালে আমরা এক “সা” খাদ্য, এক “সা” যব, এক “সা” খেজুর, এক “সা” শুষ্ক আঙ্গুর (কিশমিশ) অথবা এক “সা” পনির সাদাকায়ে ফিতর রূপে আদায় করতাম।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->যব দ্বারা সাদাকায়ে ফিতর আদায় করা প্রসঙ্গে হাঃ-২৫১৭

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা এক “সা” যব, খেজুর, কিশমিশ অথবা পনির (সাদাকায়ে ফিতর) রুপে আদায় করতাম। আমরা এই (রুপেই) আদায় করেছিলাম। মুআবিয়া (রাঃ) এর যুগ আসলে তিনি বললেন যে, সিরিয়ার দু’-মুদ্দ (সামায়া) গম এক “সা” যবের সম পরিমাণ হবে বলেই আমার মনে হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->পনির দ্বারা সাদাকায়ে ফিতর আদায় করা প্রসঙ্গে হাঃ-২৫১৮

আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে আমরা এক “সা” করে খেজুর, যব অথবা পনির (সাদাকায়ে ফিতর) রুপে আদায় করতাম। অন্য কিছু আদায় করতাম না।