সহিহ বুখারী অঃ->যাকাত বাব->মুসলিমদের গোলাম ও অন্যান্যদের পক্ষ থেকে সাদকাতুল ফিতর আদায় করা হাঃ-১৫০৪

ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

মুসলিমদের প্রত্যেক আযাদ, গোলাম পুরুষ ও নারীর পক্ষ হতে সদকাতুল ফিতর হিসেবে খেজুর অথবা যব-এর এক সা’ পরিমাণ [৪৭] আদায় করা আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফরয করেছেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->সদাক্বাতুল ফিত্‌র বা ফিত্‌রার বর্ণনা হাঃ-২১৬৮

ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুসলিম দাস-দাসী এবং স্বাধীন পুরুষ ও মহিলা সকলের উপর এক সা' হিসেবে খেজুর বা প্রত্যেক রমাযান মাসে সদাক্বায়ে ফিত্‌র নির্ধারণ করেছেন। (ই.ফা. ২১৪৭, ই.সে. ২১৪৯)


সহিহ মুসলিম অঃ->যাকাত বাব->সদাক্বাতুল ফিত্‌র বা ফিত্‌রার বর্ণনা হাঃ-২১৭২

'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক সা' খেজুর বা যব রমাযানের পরে সদাক্বায়ি ফিত্রা ধার্য করেছেন- সে (মুসলিম ব্যক্তি) স্বাধীন হোক বা ক্রীতদাস, পুরুষ বা মহিলা, ছোট বা বড় (অর্থাৎ সকলকেই ফিত্রা দিতে হবে)। (ই.ফা. ২১৫১, ই.সে. ২১৫৩)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->যাকাত বাব->সদাক্বাতুল ফিতর কি পরিমাণ দিতে হবে ? হাঃ-১৬১১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সদাক্বাতুল ফিতর ফরয করেছেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ (রহঃ) তার বর্ণনায় বলেন, ইমাম মালিক (রহঃ) তাকে পাঠ করে শুনিয়েছেন যে, প্রত্যেক স্বাধীন অথবা গোলাম, পুরুষ কিংবা নারী নির্বিশেষে সকল মুসলিমের উপর মাথাপিছু এক সা’ খেজুর বা যব রমাযানের ফিতরাহ ওয়াজিব। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->যাকাত বাব->সদাকাতুল ফিতর (ফিতরা)। হাঃ-১৮২৬

ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক স্বাধীন-পরাধীন (দাস) এবং পুরুষ ও নারীর উপর সদাকাতুল ফিতর হিসাবে এক সা‘ যব অথবা এক সা‘ খেজুর নির্ধারণ করেছেন। [১৮২৬]


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->রমাযানের যাকাত (সাদাকায় ফিতরা) ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে হাঃ-২৫০০

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (প্রত্যেক) স্বাধীন, গোলাম, পুরুষ এবং নারীর উপর রমাযানের যাকাত (ফিতরা) ওয়াজিব করেছেন। এক “সা” করে খেজুর এবং এক “সা” করে যব। ১ পরে লোকজন অর্ধ “সা” গমকে তার সমতুল্য সাব্যস্ত করেছে। ২


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->অপ্রাপ্ত বয়স্কদের উপর রমাযানের ফিতরা ওয়াজিব হওয়া। হাঃ-২৫০২

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) (প্রত্যেক) অপ্রাপ্ত বয়স্ক, প্রাপ্ত বয়স্ক, স্বাধীন, গোলাম, পুরুষ এবং নারীর উপর এক “সা” করে খেজুর অথবা এক “সা” করে যব রমাযানের ফিতরা স্বরূপ ওয়াজিব করেছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->যাকাত বাব->রমাযানের ফিতরা শুধুমাত্র মুসলমানদের উপর ওয়াজিব, জিম্মিদের উপর নয় হাঃ-২৫০৪

ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) প্রত্যেক মুসলমান স্বাধীন, গোলাম, পুরুষ, নারী, অপ্রাপ্ত বয়স্ক এবং প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির উপর এক “সা” করে খেজুর অথবা এক “সা” করে যব সাদাকায়ে ফিতর রূপে ওয়াজিব করেছেন এবং এও আদেশ করেছেন যে, তা যেন লোকজন সালাতের জন্য বের হওয়ার পূর্বেই আদায় করে দেওয়া হয়।


সুনান নাসাঈ অঃ->ফারা‘ এবং ‘আতীরা বাব->মৃত জন্তুর চামড়া হাঃ-৪২৩৫

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একটি মৃত বকরীর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, যা তিনি মায়মূনা (রাঃ)-এর আযাদকৃত দাসীকে দান করেছিলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ এর চামড়া দ্বারা উপকৃত হলে না কেন? উপস্থিত লোকেরা বললোঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ্‌! এটি তো মৃত। রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এর কেবল খাওয়াকেই হারাম করা হয়েছে।


সুনান নাসাঈ অঃ->ক্রয়-বিক্রয় বাব->পরিমাপ ব্যতিত যে খাদ্য খরিদ করা হয়েছে তা স্থানান্তরিত করার আগে বিক্রি করা হাঃ-৪৬০৫

আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) – এর সময়ে আমরা খাদ্যবস্তু ক্রয় করতাম এবং আমাদের নিকট তিনি এমন এক ব্যাক্তিকে পাঠাতেন যিনি আমাদেরকে আদেশ করতেন, আমরা যেন তা বিক্রয় করার পূর্বে যে স্থান হতে তা ক্রয় করেছি, সেখান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তরের পূর্বে বিক্রয় না করি।