সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা প্রসঙ্গে মূসা ইবন তালহা (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য হাঃ-২৪২৯

মূসা ইব্‌ন তালহা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক ব্যক্তি একটি ভুনা খরগোশ রেখে বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি এর সাথে রক্ত দেখেছি। তখন রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিরত রইলেন এবং খেলেন না, কিন্তু তাঁর সামনে যাঁরা ছিলেন তাঁদেরকে বললেন, তোমরা খাও। কেননা আমার আগ্রহ থাকলে আমিও খেতাম। আর এক ব্যক্তি পাশে বসে ছিল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেন, এসো এদের সাথে খাও। সে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমি সাওম (রোযা) পালন করছি। তখন তিনি বললেন, তুমি আইয়ামে বীযের সাওম (রোযা) কেন পালন করলে না? সে বলল, আইয়ামে বীয কি? রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তের তারিখ, চৌদ্দ তারিখ এবং পনের তারিখ।


সুনান নাসাঈ অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু বাব->খরগোশ প্রসঙ্গ হাঃ-৪৩১১

আবুল হাওতাকিয়া (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ উমর (রাঃ) জিজ্ঞাসা করলেনঃ কাহা১ দিবসে আমাদের সাথে কে ছিল? আবূ যর (রাঃ) বললেনঃ আমি ছিলাম। সেখানে রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট একটি খরগোশ আনা হল। যে ব্যক্তি সেটি এনেছিল, সে বললোঃ আমি এর স্রাব হতে দেখেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা খেলেন না। তিনি অন্যান্য লোকদের খেতে বললেন। এ সময় এক ব্যক্তি বললেনঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! আমি রোযা রেখেছি। তিনি বললেনঃ তুমি কি রোযা রেখেছ? সে বললোঃ প্রতি মাসে তিনটি রোযা। তিনি বললেনঃ তবে তুমি কেন আইয়ামে বীযের অর্থাৎ ১৩, ১৪ এবং ১৫ তারিখে রোযা রাখ না?