সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা প্রসঙ্গে মূসা ইবন তালহা (রহঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের বর্ণনা পার্থক্য হাঃ-২৪২৭

ইবনুল হাওতাকিয়্যা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক বেদুঈন ব্যক্তি আসল, তার সাথে একটি ভুনা খরগোশ এবং কিছু রুটি ছিল। সে তা রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সামনে রাখল এবং বলল যে, আমি তাকে রক্তস্রাব অবস্থায় পেয়েছি। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বীয় সাহাবীগণকে বললেনঃ এটা ক্ষতিকর নয়, অতএব তোমরা খাও এবং বেদুঈন ব্যক্তিটিকে বললেন, তুমিও খাও। সে বলল, আমি সাওম (রোযা) পালন করছি। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞাসা করলেনঃ এটা কিসের সাওম (রোযা)? সে বলল, মাসের তিন দিনের সাওম (রোযা)। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ যদি তুমি সাওম (রোযা) পালন করই তবে উজ্জ্বল আলোময় দিনগুলোয় সাওম (রোযা) পালন কর অর্থাৎ তের তারিখ, চৌদ্দ তারিখ এবং পনের তারিখের।


সুনান নাসাঈ অঃ->শিকার ও যবেহকৃত জন্তু বাব->খরগোশ প্রসঙ্গ হাঃ-৪৩১০

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, গ্রাম্য এক বেদুঈন একটি খরগোশ ভূনা করে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট নিয়ে আসে এবং তা তাঁর সামনে রাখে। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাত গুটিয়ে নিলেন, তা খেলেন না। কিন্তু অন্য লোকদের খেতে বললেন। ঐ বেদুঈনও তা খাওয়া হতে বিরত থাকল। রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি খেলে না কেন? সে বললোঃ আমি প্রতি মাসে তিনটি রোযা রাখি। তিনি বললেনঃ যদি তুমি প্রত্যেক মাসে রোযা রাখ, তবে মাঝের তিন দিন (১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ) রাখবে।