’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বললেন, হে ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আম্র! তুমি তো একাধারে সওম (রোযা) পালন করে যাচ্ছ। সারারাত ‘ইবাদাতে দাঁড়িয়ে থাক। তুমি এরূপ করলে তাতে তোমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলবে। যে ব্যক্তি সর্বদা সওম পালন করল, সে মূলত সওম পালন করল না। মাসে তিন দিন সওম পালন করা পূর্ণ মাস পালনের সমতুল্য। আমি বললাম, আমি এর চেয়েও বেশি সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, দাউদ (‘আঃ)-এর ন্যায় সওম পালন কর। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন ছেড়ে দিতেন এবং পলায়ন করতেন না যখন শত্রুর সম্মুখীন হতেন। (ই.ফা. ২৬০৩, ই.সে. ২৬০২)
আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে আব্দুল্লাহ ইব্ন আমর (রাঃ)! তুমি নাকি সর্বদা সাওম (রোযা) পালন কর এবং সারা রাত্র সালাত আদায় কর? তুমি যখন এরূপ করতে থাকবে তখন তোমার চক্ষু কোটেরাগত হয়ে যাবে এবং শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। সর্বদা সাওম (রোযা) পালনকারীর সাওম (রোযা) গ্রহণযোগ্য নয়। সারা জীবনের সাওম (রোযা) হল প্রত্যেক মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন করা। আমি বললাম, আমি তো এর চেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। তিনি বললেন, তাহলে তুমি দাউদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন কর- তিনি একদিন সাওম (রোযা) পালন করতেন আর একদিন সওম ভঙ্গ করতেন। এবং (শক্রর) মুখোমুখী হলে পলায়ন করতেন না।
আবদুল্লাহ্ ইব্ন আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তুমি মাসে একবার কুরআন খতম কর। আমি বললাম, আমি তো এরচেয়েও অধিক পড়তে পারি। আমি তার কাছে আরো বাড়াবার আবেদন করতে থাকলে শেষ পর্যন্ত তিনি আমাকে পাঁচ দিনে কুরআন খতম করতে বললেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বললেন, তুমি মাসে তিন দিন সাওম (রোযা) পালন কর। আমি বললাম, আমি তো এরচেয়েও অধিক সাওম (রোযা) পালন করার সামর্থ্য রাখি। আমি তার কাছে আরো বাড়াবার আবেদন করতে থাকলে শেষ পর্যন্ত তিনি আমাকে আল্লাহ তাআলার নিকট সর্বোত্তম সাওম (রোযা) দাউদ (আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন করতে বললেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন সওম ভঙ্গ করতেন।