সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->অন্ধ ব্যাক্তির আযান দেয়া হাঃ-৫৩৫

‘আয়িশাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

ইবনু উম্মে মাকতুম (রাঃ) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর মুয়াজ্জিন ছিলেন। আর তিনি ছিলেন অন্ধ। সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রাতের কোন্ সময় অধিক উত্তম? হাঃ-১৩৬৫

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতের প্রথমভাগে ঘুমাতেন এবং শেষভাগে জাগ্রত থাকতেন। [১৩৬৫]


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->যে ব্যক্তি দুই ওয়াক্ত সালাত একত্রে পড়বে তার ইকামত হাঃ-৬৫৯

আবদুল্লাহ ইব্‌ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি মুযদালিফায় রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর সঙ্গে এক ইকামতে দুই সালাত আদায় করেছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের শব্দের পার্থক্য-এর উল্লেখ হাঃ-২১৮০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূরো বছরে শা’বান মাসের চেয়ে বেশি অন্য কোন মাসে এত অধিক (নফল) সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো শা’বান মাসের চেয়ে বেশী অন্য কোন মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূর্ণ শা’বান মাস অথবা তার অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো শা’বান মাসের চেয়ে বেশী অন্য কোন মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূর্ণ শা’বান মাস অথবা তার অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো শা’বান মাসের চেয়ে বেশী অন্য কোন মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূর্ণ শা’বান মাস অথবা তার অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->তালাক বাব->যে ইখতিয়ারপ্রাপ্তা স্বামীকে গ্রহণ করে হাঃ-৩৪৪১

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ্‌ (সাঃ) আমাদেরকে ইখতিয়ার (বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার) প্রদান করলে আমরা তাঁকেই গ্রহণ করলাম। তাতে কি তালাক হয়েছিল?