সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম হাঃ-২৬১৪

’আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাযান মাস ছাড়া আর কখনো পূর্ণ মাস সিয়াম পালন করতেন না। তিনি যখন সিয়াম পালন করতেন তখন ক্রমাগত সিয়াম পালন করে যেতেন। ফলে লোকেরা বলত, আল্লাহর ক্বসম! হয়ত তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন তিনি সিয়াম ছেড়ে দিতেন একাধারেই বিরতি দিতে থাকতেন। এমনকি লোকেরা বলত আল্লাহর ক্বসম! তিনি হয়ত আর সিয়াম পালন করবেন না। [১০] (ই.ফা. ২৫৯১, ই.সে. ২৫৯০)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর রোযা। হাঃ-১৭১১

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সিয়াম রেখে যেতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি আর সিয়াম ভঙ্গ করবেন না। আবার কখনো তিনি একাধারে রোযাহীন থাকতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি আর সিয়াম রাখবেন না। মাদীনায় আসার পর থেকে তিনি রমজান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে সম্পূর্ণ মাস সিয়াম রাখেননি। [১৭১১]


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ প্রসঙ্গে আবূ সালামা (রহঃ) কর্তৃক হাদীস বর্ণনার উল্লেখ হাঃ-২১৭৫

উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে কখনো একাধারে দুই মাস সাওম (রোযা) পালন করতে দেখিনি। তবে হ্যাঁ, তিনি শা’বান মাসকে রমযান মাসের সাথে মিলাতেন (সাওম (রোযা) পালনসহ) অর্থাৎ তিনি একাধারে শা’বান ও রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের শব্দের পার্থক্য-এর উল্লেখ হাঃ-২১৭৯

আবূ সালামা (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম; আমি তাঁকে বললাম, আপনি আমাকে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করতে শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি হয়ত সাওমই (রোযাই) পালন করতে থাকবেন। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, হয়ত সাওম (রোযা) ভঙ্গই করতে থাকবেন। আর তিনি শা’বান মাস অপেক্ষা অন্য কোন মাসে এত অধিক সাওম (রোযা) পালন করতেন না। উনি অল্প কিছু দিন ব্যতীত প্রায় পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের শব্দের পার্থক্য-এর উল্লেখ হাঃ-২১৮৩

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন শফীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়েশা (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি হয়ত সাওমই (রোযা) পালন করতে থাকবেন, আর যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি হয়ত সাওম (রোযা) ভঙ্গই করতে থাকবেন। আর তিনি মদীনায় আসার পর থেকেই রমযান মাস ব্যতীত কখনো এক মাশ সাওম (রোযা) পালন করতেন না।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৪৯

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন শকীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, তিনি যখন সাওম (রোযা) পালন শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, তিনি হয়ত এবার সাওমই (রোযাই) পালন করতে থাকবেন। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখনো আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, তিনি হয়ত এবার সাওম (রোযা) ভঙ্গই করতে থাকবেন। আর তিনি মদীনায় আগমনের পর থেকে রমযান মাস ব্যতীত কখনো পূর্ণ এক মাস সাওম (রোযা) পালন করেন নি।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫২

সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান এবং রমযান মাস ব্যতীত কখনো বিরামহীন দুই মাসের সাওম (রোযা) পালন করতেন না।