সহিহ বুখারী অঃ->তাহাজ্জুদ বাব->সাহরীর সময় যে নিদ্রা যায়। হাঃ-১১৩১

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আমর ইব্‌নুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বলেছেনঃ আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় সালাত হল দাঊদ (‘আঃ)-এর সালাত। আর আল্লাহ্‌ তা’আলার নিকট সর্বাধিক প্রিয় সিয়াম হল দাঊদ (‘আঃ)-এর সিয়াম। তিনি [দাঊদ (‘আঃ)] অর্ধরাত পর্যন্ত ঘুমাতেন, এক তৃতীয়াংশ তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন এবং রাতের এক ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন। তিনি একদিন সিয়াম পালন করতেন, একদিন সাওমবিহীন অবস্থায় থাকতেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) বাব->আল্লাহ্‌র নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় সালাত দাউদ (‘আঃ)-এর সালাত ও সবচেয়ে পছন্দনীয় সওম দাউদ (‘আঃ)-এর সওম। তিনি রাতের প্রথমার্ধে ঘুমাতেন আর এক-তৃতীয়াংশ দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন এবং বাকী ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন বিরতি দিতেন। হাঃ-৩৪২০

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেন, আল্লাহ্‌র নিকট অধিক পছন্দনীয় সওম হলো দাউদ (‘আঃ)-এর নিয়মে সওম পালন করা। তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন বিরত থাকতেন। আল্লাহ্‌র নিকট অধিক পছন্দনীয় সালাত হলো দাউদ (‘আঃ)-এর নিয়মে সালাত আদায় করা। তিনি রাতের অর্ধাংশ ঘুমাতেন, রাতের এক তৃতীয়াংশ সালাতে দাঁড়াতেন আর বাকী ষষ্ঠাংশ আবার ঘুমাতেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সারা বছর ধরে সিয়াম পালন করা নিষেধ, কারণ এতে স্বাস্থ্যহানি হওয়ার এবং জরুরী কর্তব্য পালনে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, একদিন পরপর সিয়াম পালন করার ফাযীলাত হাঃ-২৬২৯

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্‌র নিকট পছন্দনীয় সওম হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সওম এবং তাঁর নিকট পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধরাত ঘুমাতেন। অতঃপর এক তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন। অতঃপর এক ষষ্ঠাংশ রাত ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন এবং একদিন বাদ দিতেন। (ই.ফা. ২৬০৬, ই. সে. ২৬০৫)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->সারা বছর ধরে সিয়াম পালন করা নিষেধ, কারণ এতে স্বাস্থ্যহানি হওয়ার এবং জরুরী কর্তব্য পালনে অক্ষম হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে, একদিন পরপর সিয়াম পালন করার ফাযীলাত হাঃ-২৬৩০

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় সওম হচ্ছে দাঊদ (‘আঃ)-এর সওম। তিনি বছরের অর্ধেক কাল সওম পালন করতেন। মহান আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক পছন্দনীয় সলাত হচ্ছে দাঊদ (আঃ)-এর সলাত। তিনি অর্ধ রাত ঘুমাতেন, অতঃপর সলাতে দাঁড়াতেন, অতঃপর শেষ রাতে ঘুমিয়ে যেতেন। তিনি অর্ধ রাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাত করতেন। রাবী ইবনু জুয়ায়জ (রহঃ) বলেন, আমি ‘আমর ইবনু দীনারকে বললাম, ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) কি এ কথা বলতেন যে, তিনি অর্ধরাত অতিক্রান্ত হবার পর এক-তৃতীয়াংশ রাত ‘ইবাদাতে থাকতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (ই. ফা. ২৬০৭ ই. সে. ২৬০৬)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->একদিন সওম রাখা ও একদিন বিরতি দেয়া হাঃ-২৪৪৮

‘আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে বলেছেনঃ  আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সওম হলো দাঊদ (আঃ) -এর সওম এবং আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় সলাত হলো দাঊদ (আঃ) -এর সলাত। তিনি রাতের অর্ধেক অংশ ঘুমাতেন এবং এক-তৃতীয়াংশ ক্বিয়াম করতেন। আবার এক ষষ্ঠমাংশ ঘুমাতেন। আর তিনি একদিন সওম ত্যাগ করতেন এবং একদিন সওম রাখতেন।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->দাঊদ (আ.) এর রোযা হাঃ-১৭১২

আবদুল্লাহ্‌ বিন আম্‌র (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রোযাসমূহের মধ্যে দাঊদ (আলাইহিস সালাম) এর সিয়াম আল্লহ্‌র নিকট অধিক প্রিয়। তিনি এক দিন সিয়াম রাখতেন এবং পরবর্তী দিন সিয়াম রাখতেন না। আল্লাহ্‌র নিকট দাঊদ (আলাইহিস সালাম) এর সলাত অধিক প্রিয়। তিনি রাতের অর্ধাংশ ঘুমাতেন, এক-তৃতীয়াংশ সলাতে কাটাতেন এবং আবার এক-ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন। [১৭১২]


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->আল্লাহর নবী দাঊদ (আঃ)-এর সালাত আদায় করার উল্লেখ হাঃ-১৬৩০

আমর ইব্‌ন আউস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আমর ইব্‌ন আস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তাআলার কাছে সর্বোত্তম সাওম হল দাঊদ (আঃ)-এর সাওম। তিনি সাওম পালন করতেন একদিন এবং সাওম ভঙ্গ করতেন একদিন। আর আল্লাহ্‌ তাআলার কাছে সর্বোত্তম সালাত হল দাঊদ (আঃ)-এর সালাত; তিনি অর্ধ রাত্রি পর্যন্ত নিদ্রা যেতেন, রাত্রের এক তৃতীয়াংশ সময় সালাত আদায় করতেন। পুনরায় রাত্রের এক ষষ্টমাংশ সময় নিদ্রা যেতেন।