সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রমাযান মাসের কিয়ামুল লাইল (তারাবীহ সালাত) হাঃ-১৩২৮

নাদর থেকে বর্নিতঃ

আমি আবূ সালামাহ বিন আবদুর রহমান-এর সাথে সাক্ষাত করে বললাম, আপনি আপনার পিতাকে রমাদান মাস সম্পর্কে যে হাদীস বলতে শুনেছেন তা আমার নিকট বর্ণনা করুন। তিনি বলেন, হাঁ, আমার পিতা আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাদান মাস সম্পর্কে উল্লেখ করে বলেন, এমন একটি মাস, আল্লাহ তোমাদের উপর তার সাওম ফরয করেছেন এবং আমি তোমাদের উপর এর দণ্ডায়মান হওয়া (রাত জেগে ইবাদত করা) সুন্নাত করেছি। অতএব যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে নেকীর আশায় এ মাসে সাওম রাখে ও (রাতে ইবাদতে) দণ্ডায়মান হয় সে তার জন্মদিনের মত পাপমুক্ত হয়ে যায়। [১৩২৮] তাহকীক আলবানী : ‘দণ্ডায়মান হওয়া সুন্নাত করেছি’ এ পর্যন্ত দইফ। বাকী অংশ সহীহ।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ হাদীস বর্ণনায় ইয়াহ্‌য়া ইব্‌ন আবূ কাসীর ও নায্‌র ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) –এর বর্ণনার পার্থক্যের উল্লেখ হাঃ-২২১০

নযর ইব্‌ন শায়বান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আবূ সালামা ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ)-কে বললামঃ আপনি আমার কাছে রমযান মাস সম্পর্কে যা আপনি আপনার পিতা থেকে শুনেছেন। আর আপনার পিতা তা রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে এমতাবস্হায় শুনেছিলেন যে, আপনার পিতা এবং রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মাঝখানে অন্য আর কেউ ছিল না। তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আমার কাছে বর্ননা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের উপর রমযান মাসের সাওম (রোযা) ফরয করেছেন এবং আমি তোমাদের জন্য তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) কে সুন্নাত করে দিয়েছি। অতএব যে ব্যক্তি আল্লাহ তা’আলার উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে সওয়াবের নিয়তে রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করে এবং তারাবীহ্‌র সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করে, সে স্বীয় গুনাহসমূহ থেকে সে দিনের মত পবিত্র হয়ে যায় যে দিন তার মাতা তাকে প্রসব করেছিল।