সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->সুলায়মান ইব্‌ন মিহরান (রহঃ) কর্তৃক আয়েশা (রাঃ) থেকে সাহরী বিলম্বে খাওয়ার শব্দ ও সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১৬১

আবু আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, আমি এবং মাসরুক (রহঃ) আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গেলাম এবং বললামঃ হে মুমিনদের মাতা! আমাদের মধ্যে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এমন দু’জন সাহাবী আছেন যাঁদের একজন ইফতার তাড়াতাড়ি করেন, এবং মাগরিবের সালাতও তাড়াতাড়ি করেন। আর অন্যজন ইফতার বিলম্বে করেন এবং মাগরিবের সালাতও বিলম্বে আদায় করেন। তখন তিনি জিজ্ঞাসা করলেন যে, তাঁদের মধ্যে কে ইফতার তাড়াতাড়ি করেন এবং মাগরিবের সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করেন? আমরা বললামঃ আব্দুল্লাহ ইব্‌ন মাসউদ (রাঃ)। তখন তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও এরকমই করতেন। (রাবী বলেনঃ ) দ্বিতীয় সাহাবী ছিলেন আবূ মুসা (রাঃ)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ হাদীসে খালিদ ইব্‌ন মা’দান (রহঃ) থেকে বর্ণনার পার্থক্যের উল্লেখ হাঃ-২১৮৭

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান এবং রমযান মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন আর সোমবার এবং বৃহষ্পতিবারের সাওমকে (রোযাকে) উত্তম মনে করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৬

জুবায়ের ইব্‌ন নূফায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূর্ণ শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৬০

জুবায়র ইব্‌ন নুফায়র (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

আয়েশা (রাঃ) বলেছেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বদা সোমবার এবং বৃহস্পতিবার সাওম (রোযা) পালন করতেন। (সাওম (রোযা) পালন করাকে অধিক গুরুত্ব দিতেন)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৬৩

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সর্বদা সোমবার এবং বৃহস্পতিবার সাওম (রোযা) পালন করতেন।