সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->শা’বান (মাস)-এর সওম । হাঃ-১৯৬৯

‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে (এত অধিক) সওম পালন করতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর সওম পরিত্যাগ করবেন না। (আবার কখনো এত বেশী) সওম পালন না করা অবস্থায় একাধারে কাটাতেন যে, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি আর (নফল) সওম পালন করবেন না। আমি আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রমযান ব্যতীত কোন পুরা মাসের সওম পালন করতে দেখিনি এবং শা’বান মাসের চেয়ে কোন মাসে অধিক (নফল) সওম পালন করতে দেখিনি।


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাতের সলাত, নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর রাতের সলাতের রাক‘আত সংখ্যা, বিত্‌র সলাত এক রাক’আত এবং এক রাক’আত সলাত আদায় সহীহ্ সাব্যস্ত হাঃ-১৬১১

আবূ সালামাহ্ (রাঃ} থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-এর কাছে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম, আম্মাজান! আমাকে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সলাত সম্পর্কে অবহিত করুন তো। তিনি বললেনঃ রমাযান ও অন্যান মাসে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাজ্‌রের দু’ রাক‘আত (সুন্নাত) সলাত সহ রাতের বেলা মোট তের রাক‘আত সলাত আদায় করতেন। (ই.ফা. ১৫৯৬, ই.সে. ১৬০৩)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->রমাযান মাস ব্যতীত অন্য মাসে নাবী (সাঃ) এর সিয়াম পালন করার বর্ণনা, প্রত্যেক মাসেই কিছু সিয়াম পালন করা উত্তম হাঃ-২৬১২

আবূ সালামাহ্‌ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন করে যেতেন যে, আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম পালন করে যাচ্ছেন (হয়ত আর বিরত হবেন না)। আবার তিনি কখনো কখনো একাধারে সিয়াম পালন না করে অতিবাহিত করতেন যে, আমরা বলতাম, হয়ত তিনি আর সিয়াম পালন করবেন না। আমি তাকে শা’বান মাসের চেয়ে অন্য কোন মাসে এত অধিক (নাফ্‌ল) সিয়াম পালন করতে দেখিনি। তিনি পুরো শা’বান মাসেই সিয়াম পালন করতেন। (অর্থাৎ কয়েক দিন ছাড়া পূর্ণ শা’বান মাস সিয়াম পালন করতেন)। (ই.ফা. ২৫৮৯, ই.সে. ২৫৮৮)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাত শেষে আরেক প্রকার দোয়া হাঃ-১৩৪৬

আবূ মারওয়ান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

কা'ব (রাঃ) তাঁর কাছে ঐ আল্লাহর শপথ করে বলেছেন, যিনি মূসা (আ.) এর জন্য সমুদ্রকে বিদীর্ণ করেছিলেন, নিশ্চয়ই আমরা তাওরাতে দেখতে পাই যে, দাউদ নবীয়্যুল্লাহ (আঃ) যখন তাঁর সালাত থেকে সালাম ফিরাতেন তখন বলতেনঃ -------মারওয়ান (রহঃ) বলেন, কা'ব (রাঃ) আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, সুহায়ব (রাঃ) তাঁর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঐ সমস্ত দোয়া তাঁর সালাত শেষে সালাম ফিরানোর পর বলতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২১৭৭

আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) পালন করবেন না। তিনি শা’বান মাসের পূরা বা অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২১৭৭

আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) পালন করবেন না। তিনি শা’বান মাসের পূরা বা অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২১৭৭

আবূ সালামা ইব্‌ন আব্দুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়িশা (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবেন না। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি আর সাওম (রোযা) পালন করবেন না। তিনি শা’বান মাসের পূরা বা অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ প্রসঙ্গে মুহাম্মাদ ইব্‌ন ইব্রাহীম (রহঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনায় পার্থক্য হাঃ-২১৭৮

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমাদের কেউ (ঋতূ ইত্যাদির কারণে) রমযান মাসের সাওম (রোযা) পালন করতে পারত না এবং তার কাযা আদায় করার সূযোগ পাওয়ার পূর্বে, শা’বান মাস এসে যেত। আর রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) শা’বান মাসের মত অন্য কোন মাসে এত অধিক সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি অল্প কয়েক দিন ব্যতীত পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন; বরং (বলতে গেলে) পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের শব্দের পার্থক্য-এর উল্লেখ হাঃ-২১৮০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পূরো বছরে শা’বান মাসের চেয়ে বেশি অন্য কোন মাসে এত অধিক (নফল) সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূরো শা’বান মাসই সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->এ বিষয়ে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের শব্দের পার্থক্য-এর উল্লেখ হাঃ-২১৮৩

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন শফীক (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আয়েশা (রাঃ)-কে রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি হয়ত সাওমই (রোযা) পালন করতে থাকবেন, আর যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে বলতাম যে, তিনি হয়ত সাওম (রোযা) ভঙ্গই করতে থাকবেন। আর তিনি মদীনায় আসার পর থেকেই রমযান মাস ব্যতীত কখনো এক মাশ সাওম (রোযা) পালন করতেন না।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৪৭

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সাওম (রোযা) পালন শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, তিনি হয়ত আর সাওম (রোযা) পালন থেকে বিরত থাকার ইচ্ছাই রাখেন না। আবার যখন সাওম (রোযা) পালন থেকে বিরত থাকতেন তখনো আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, তিনি হয়ত আর সাওম (রোযা) পাননের ইচ্ছাই রাখেন না।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৪৯

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন শকীক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাওম (রোযা) পালন সস্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন যে, তিনি যখন সাওম (রোযা) পালন শুরু করতেন তখন আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, তিনি হয়ত এবার সাওমই (রোযাই) পালন করতে থাকবেন। আবার যখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করা শুরু করতেন তখনো আমরা মনে মনে ধারণা করতাম যে, তিনি হয়ত এবার সাওম (রোযা) ভঙ্গই করতে থাকবেন। আর তিনি মদীনায় আগমনের পর থেকে রমযান মাস ব্যতীত কখনো পূর্ণ এক মাস সাওম (রোযা) পালন করেন নি।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো শা’বান মাসের চেয়ে বেশী অন্য কোন মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূর্ণ শা’বান মাস অথবা তার অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো শা’বান মাসের চেয়ে বেশী অন্য কোন মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূর্ণ শা’বান মাস অথবা তার অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->নবী (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাওম (রোযা), তাঁর উপর আমার মাতা পিতা উৎসর্গিত হোক হাঃ-২৩৫৪

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন যে, রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো শা’বান মাসের চেয়ে বেশী অন্য কোন মাসে সাওম (রোযা) পালন করতেন না। তিনি পূর্ণ শা’বান মাস অথবা তার অধিকাংশ দিন সাওম (রোযা) পালন করতেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কিভাবে সওম পালন করতেন হাঃ-২৪৩৪

নাবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একাধারে সওম রাখতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি সওম বর্জন করবেন না। আবার তিনি সওম বর্জন করতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি হয়তো আর সওম রাখবেন না। আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রমাযান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে পূর্ণ মাস সওম পালন করতে দেখিনি। আর আমি তাঁকে শা‘বান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে অধিক (নফল) সওম রাখতে দাখিনি।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর রোযা। হাঃ-১৭১০

আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আমি আয়িশা (রাঃ) এর নিকট নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিয়াম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তিনি একাধারে সিয়াম রেখেই যেতেন। এমনকি আমরা বলতাম, তিনি সিয়াম রেখেই যাবেন। আবার তিনি একাধারে রোযাহীন অবস্থায় কাটাতেন, এমনকি আমরা বলতাম, তিনি রোযাহীন অবস্থায়ই থাকবেন। শা‘বান মাস ব্যতীত অন্য কোন মাসে আমি তাঁকে এত অধিক সিয়াম রাখতে দেখিনি। তিনি প্রায় পুরা শা‘বান মাসই সিয়াম রাখতেন। তিনি শা‘বানের অল্প কিছুদিন বাদ দিয়ে পুরা মাসই সিয়াম রাখতেন। [১৭১০]