ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবাইশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, তার রক্তস্রাব হলে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হায়িযের রক্ত কালো হয়, তা (দেখলে) চেনা যায়। রক্ত এরূপ হলে সলাত হতে বিরত থাকবে। আর অন্যরকম হলে উযু করে সলাত আদায় করবে। কারণ তা একটি রগ থেকে নির্গত রক্ত। [২৮৫] হাসান। ‘আয়িশা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতিমাহর রক্তস্রাব হয়েছিল ….. এরপর অনুরূপ অর্থের হাদীস বর্ণনা করেন। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, আনাস ইবনু সীরীন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে মুস্তাহাযা সম্পর্কে বর্ণনা করে বলেনঃ যখন সে গাঢ় ও প্রচুর রক্ত দেখবে তখন সলাত আদায় করবে না। আর যখন পবিত্রতা দেখতে পাবে- যদিও তা কিছুক্ষণের জন্য হয়- তখন গোসল করে সলাত আদায় করবে। সহীহ। মাকহূল (রহঃ) বলেন, মহিলাদের কাছে হায়িযের রক্ত অস্পষ্ট বা অজানা কিছু নয়। হায়িযের রক্ত গাঢ় কালো রঙের হয়। এটা দূরীভূত হয়ে হালকা হলুদ বর্ণ ধারণ করলে তা-ই ইস্তিহাযা। তার কর্তব্য হচ্ছে এ অবস্থায় গোসল করে সলাত আদায় করা। আমি এটি পাইনি। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু যায়িদ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ হতে, তিনি কা‘কা‘ ইবনু হাকীম হতে বর্ণনা করেন যে, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) মুস্তাহাযা সম্পর্কে বলেন, হায়িয শুরু হলে সলাত ছেড়ে দিবে এবং শেষ হলে গোসল করে সলাত আদায় করবে। সহীহ। সুমাই‘ প্রমুখ সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেনঃ হায়িযের দিনগুলোতে বসে থাকবে (অপেক্ষা করবে)। অনুরূপ বর্ণনা করেছেন হাম্মাদ ইবনু সালামাহ ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব সূত্রে। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, ইউনুস হাসান সূত্রে বর্ণনা করেন, ঋতুবতী নারীর রক্তস্রাব বেশি দিন অব্যাহত থাকলে হায়িযের পর একদিন অথবা দু’দিন সলাত আদায় হতে বিরত থাকবে। তারপর মুস্তাহাযা গণ্য হবে। আত-তায়মী ক্বতাদাহ সূত্রে বর্ণনা করে বলেন, তার হায়িযের দিন থেকে পাঁচদিন অতিরিক্ত অতিবাহিত হয়ে গেলে সে সলাত আদায় করবে। আত-তায়মী আরো বলেন, আমি তা কমিয়ে দু’দিন ধার্য করেছি। অতএব ঐ দু’দিন হায়িযের মধ্যে গণ্য। ইবনু সীরীনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, মহিলারাই এ সম্পর্কে অধিক জ্ঞাত।
ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবাইশ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবাইশ (রাঃ) ছিল রক্ত প্রদরের রোগীণী। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ হায়িযের রক্ত চেনার উপায় হলো, তা কালো রংয়ের হয়ে থাকে। এ ধরণের রক্ত বের হলে তুমি সলাত ছেড়ে দেবে। আর যথক অন্য রকম রক্ত নির্গত হবে তখন উযু করে সলাত আদায় করবে। [৩০৩] হাসানঃ এটি পূর্বেই উল্লিখিত হয়েছে ২৮৬ নং-এ। ইমাম আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, শু‘বাহ (রহঃ) আবূ জা‘ফারের সাথে ঐকমত্য পোষণ করে বলেন, রক্ত প্রদরের রোগীণী প্রতি ওয়াক্ত সলাতের জন্য উযু করবে।
ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যখন হায়যের রক্ত হয়, যা কাল রক্ত, চেনা যায়, তখন তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করে নেবে। কেননা তা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়)।
ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যখন হায়যের রক্ত হয়, যা কাল রক্ত, চেনা যায়, তখন তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করে নেবে। কেননা তা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়)।
ফাতিমা বিনতে আবূ হুবায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁর ইস্তেহাযা হলে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ যখন হায়যের রক্ত হয়, যা কাল রক্ত, চেনা যায়, তখন তুমি সালাত থেকে বিরত থাকবে, আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করে নেবে। কেননা তা একটি শিরামাত্র (যা হতে রক্ত নির্গত হয়)।
ফাতিমা বিন আবূ হুরায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এ সময় সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযূ করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্তবিশেষ।
ফাতিমা বিন আবূ হুরায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এ সময় সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযূ করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্তবিশেষ।
ফাতিমা বিন আবূ হুরায়শ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি ইস্তিহাযাগ্রস্ত হলে রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত হয় কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এ সময় সালাত হতে বিরত থাকবে। আর যদি হায়যের রক্ত না হয়, তবে উযূ করে নেবে। কেননা তা হচ্ছে শিরা থেকে নির্গত রক্তবিশেষ।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবু হুরায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতবস্থায় তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবু হুরায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতবস্থায় তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।
আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
ফাতিমা বিনত আবু হুরায়শ (রাঃ) ইস্তিহাযাগ্রস্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁকে বললেনঃ হায়যের রক্ত কালো বর্ণের, যা চেনা যায়। এমতবস্থায় তুমি সালাত আদায় হতে বিরত থাকবে। আর যখন অন্য রক্ত হয় তখন উযূ করবে এবং সালাত আদায় করবে।