সহিহ বুখারী অঃ->সাওম বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উক্তিঃ যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার কর । হাঃ-১৯০৭

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

আল্লাহ্‌র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস ঊনত্রিশ রাত বিশিষ্ট হয়। তাই তোমরা চাঁদ না দেখে সওম শুরু করবে না। যদি আকাশ মেঘাবৃত থাকে তাহলে তোমরা ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। হাঃ-২৩৯৩

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ সাধারণত মাস ঊনত্রিশ দিনে হয়ে থাকে। তাই (রমাযানের) চাঁদ না দেখে সিয়াম পালন করো না এবং ইফতারও করো না। আর আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলে মাসের ত্রিশদিন পূর্ণ কর। (ই.ফা. ২৩৭০, ই.সে. ২৩৭১)


সহিহ মুসলিম অঃ->কিতাবুস্‌ সিয়াম (রোজা) বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম পালন করা, চাঁদ দেখে ইফতার করা এবং মাসের প্রথম বা শেষ দিন মেঘাছন্ন থাকলে ত্রিশ দিনে মাস পুরা করা। হাঃ-২৪০৪

আবূ হুরায়রাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন; যখন তোমরা চাঁদ দেখবে তখন সওম আরম্ভ করবে এবং যখন চাঁদ দেখবে তখন ইফতার করবে। যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে ত্রিশদিন সিয়াম পালন করবে। (ই.ফা. ২৩৮১, ই.সে. ২৩৮২)


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে শা’বান মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করা এবং আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনা পার্থক্য হাঃ-২১১৯

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) পালন কর। আর যখন তোমরা (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। তবে হ্যাঁ, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে মাসের ত্রিশ দিন সাওম (রোযা) পালন করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->উবায়দুল্লাহ্‌ ইব্‌ন উমর থেকে এ হাদীসের সনদের পার্থক্য বর্ণনা হাঃ-২১২৩

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাঁদের ব্যাপারে আলোচনা করে বললেনঃ যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে সাওম (রোযা) পালন করবে আর যখন তোমরা (সাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। হ্যাঁ, যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে তোমরা ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->আমর ইব্‌ন দীনার (রহঃ) কর্তৃক ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে উক্ত হাদীসের বর্ণনায় সনদের পার্থক্য হাঃ-২১২৫

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি আশ্চর্যবোধ করি ঐ ব্যক্তির ব্যাপারে যে রমযান মাস আসার পূর্বেই সাওম (রোযা) পালন করে, অথচ রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) পালন করবে আর (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। হ্যাঁ, যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে (শা’বান মাসের দিন গণনা করে) ত্রিশ দিন পৃর্ণ করবে।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->চাঁদ দেখে সিয়াম রাখো এবং চাঁদ দেখে ইফতার (ঈদ) করো। হাঃ-১৬৫৫

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নতুন চাঁদ দেখে সিয়াম রাখা শুরু করবে এবং (শাওয়ালের) নতুন চাঁদ দেখে ইফতার (ঈদ) করবে। তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে তোমরা ৩০ দিন সিয়াম রাখবে। [১৬৫৫]