ইব্নু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি আল্লাহ্র রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি, যখন তোমরা তা (চাঁদ) দেখবে তখন সওম রাখবে, আবার যখন তা দেখবে তখন ইফ্তার করবে। আর যদি আকাশ মেঘলা থাকে তবে সময় হিসাব করে (ত্রিশ দিন) পূর্ণ করবে। ইয়াহইয়া ইব্নু বুকায়ার (রহঃ) ব্যতীত অন্যরা লায়স (রহঃ) হতে ‘উকায়ল এবং ইউনুস (রহঃ) সুত্রে বর্ণনা করেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কথাটি বলেছেন রমযানের চাঁদ সম্পর্কে।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ মাস ঊনত্রিশ দিনে হয়ে থাকে। তাই তোমরা নতুন চাঁদ দেখে সিয়াম রাখা শুরু করো এবং নতুন চাঁদ (শাও্ওয়ালের চাঁদ) দেখে ইফতার কর (ঈদ কর)। আর আকশ মেঘে ঢাকা থাকলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর”। (ই.ফা. ২৩৭১, ই.সে. ২৩৭২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন; যখন তোমরা চাঁদ দেখবে তখন সওম আরম্ভ করবে এবং যখন চাঁদ দেখবে তখন ইফতার করবে। যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে ত্রিশদিন সিয়াম পালন করবে। (ই.ফা. ২৩৮১, ই.সে. ২৩৮২)
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ চাঁদ দেখে সিয়াম পালন কর এবং চাঁদ দেখে ইফত্বার কর (অর্থাৎ সিয়াম সমাপ্ত কর)। আর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকার কারণে তোমরা যদি মাসের আরম্ভ বা শেষ সম্পর্কে সন্দিহান হও তাহলে ঐ মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ কর। (ই.ফা. ২৩৮৪, ই.সে. ২৩৮৫)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) পালন কর। আর যখন তোমরা (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ কর। তবে হ্যাঁ, আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে মাসের ত্রিশ দিন সাওম (রোযা) পালন করবে।
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
আমি রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেনঃ যখন তোমারা চাঁদ দেখ তখন সাওম (রোযা) পালন করবে। যখন (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখ সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। তবে হ্যাঁ, আকাশ মেঘাছন্ন থাকলে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাঁদের ব্যাপারে আলোচনা করে বললেনঃ যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে সাওম (রোযা) পালন করবে আর যখন তোমরা (সাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। হ্যাঁ, যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে তোমরা ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।
ইব্ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেনঃ রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, তোমরা (রমযান মাসের) চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) পালন করবে এবং (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখে সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। হ্যাঁ, যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে (শা’বান মাসের দিন গণনা করে) ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে।
রিব’য়ী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, যখন তোমরা রমযান মাসের চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) পালন করবে আর যখন (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। তবে হ্যাঁ যদি আকাশে মেঘাছন্ন থাকে তাহলে শা’বান মাসকে ত্রিশ দিন পূর্ণ করবে। তবে এর পূর্বেই চাঁদ দেখলে রমযানের সাওম (রোযা) পালন করবে। এরপর রমাযানের সাওম (রোযা) পালন করতে থাকরে যতক্ষণ পর্যন্ত না শাওয়ালের চাঁদ দেখবে বা তার পূর্বেই রমযান মাস ত্রিশ দিন পূর্ণ হবে।
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন যে, মাস কখনো ঊনত্রিশ দিনের হয় আবার কখনো ত্রিশ দিনের হয়। যখন তোমরা (রমযানের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) পালন করবে, আর যখন (শাওয়াল মাসের) চাঁদ দেখবে তখন সাওম (রোযা) ভঙ্গ করবে। তবে হ্যাঁ, যদি আকাশ মেঘাছন্ন থাকে তবে মাসের ত্রিশ দিন পূর্ন করবে।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা চাঁদ দেখে সিয়াম রাখা শুরু করবে এবং চাঁদ দেখে ইফতার (রোযার সমাপ্তি) করবে। তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে (ত্রিশ দিন) পূর্ণ করবে। ইবনু উমার (রাঃ) নতুন চাঁদ দেখার একদিন আগেও সিয়াম রাখতেন। [১৬৫৪]
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা নতুন চাঁদ দেখে সিয়াম রাখা শুরু করবে এবং (শাওয়ালের) নতুন চাঁদ দেখে ইফতার (ঈদ) করবে। তোমাদের আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে তোমরা ৩০ দিন সিয়াম রাখবে। [১৬৫৫]