সুনান নাসাঈ অঃ->সাওম (রোযা) বাব->রমযান মাসের চাঁদ দেখার ব্যাপারে একজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা এবং এ ব্যাপারে সিমাক (রহঃ)-এর হাদীসে সুফিয়ান(রাঃ)-এর বর্ণনা পার্থক্য হাঃ-২১১২

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর কাছে এক বেদুঈন এসে বললো যে, আমি চাঁদ দেখেছি, তখন রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন যে, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নাই এবং মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার বান্দা এবং রাসুল? সে বললো, হ্যাঁ। তখন রাসুলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ঘোযণা দিলেন যে, তোমরা সবাই সাওম (রোযা) পালন কর।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সওম (রোজা) বাব->রমযানের চাঁদ দেখার বিষয়ে এক জনের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হাঃ-২৩৪০

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক বেদুঈন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললো, আমি রমযানের চাঁদ দেখেছি। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলা্হ নেই? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় বললেন, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর রাসূল? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ হে বিলাল! ঘোষণা করে দাও, লোকেরা যেন কাল সওম পালন করে। [২৩৪০] দুর্বলঃ মিশকাত (১৯৭৮), যঈফ সুনান তিরমিযী (১০৮ /৬৯৪), যঈফ সুনান নাসায়ী (১২১ /২১১২), যঈফ সুনান ইবনু মাজা্হ (৩৬৪), ইরওয়া (৯০৭)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সিয়াম বা রোজা বাব->নতুন চাঁদ দেখার সাক্ষ্য প্রদান। হাঃ-১৬৫২

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

এক বেদুইন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললো, আমি আজ রাতে (সন্ধ্যায়) নতুন চাঁদ দেখেছি। তিনি বলেন, তুমি কি সাক্ষ্য দাও যে, “আল্লাহ্‌ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহ্‌র রসূল”? সে বললো, হাঁ। তিনি বলেন, হে বিলাল! ওঠো এবং লোকদের মধ্যে ঘোষণা দাও যে, তারা যেন আগামীকাল থেকে সিয়াম রাখে। [১৬৫২]