সহিহ মুসলিম অঃ->হায়িয (ঋতুস্রাব) বাব->একমাত্র বীর্যপাত থেকে গোসল ফার্‌য করণ [৯৪] হাঃ-৬৬৩

আবূ সা’ঈদ আল খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পানির (ধাতু বের হলে) দ্বারা (গোসল) ফারয হয়। (ই.ফা. ৬৬৭, ই.সে. ৬৮২)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->সহবাসে বীর্যপাত না হলে হাঃ-২১৪

উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইসলামের প্রাথমিক অবস্থায় লোকদের কাপড় চোপড়ের স্বল্পতার কারণে কেবল সহবাসে বীর্য নির্গত না হলে গোসল না করার অনুমতি প্রদান করেন। তবে পরবর্তীতে এরূপ অবস্থায় (বীর্যপাত না হলেও) তিনি গোসল করার নির্দেশ দেন এবং গোসল ত্যাগ না করতে বলেন। সহিহ। ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ বীর্যপাত হলে গোসল করা।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->সহবাসে বীর্যপাত না হলে হাঃ-২১৭

আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, পানির জন্যই পানি ব্যবহার করতে হবে। (অর্থাৎ বীর্যপাত হলেই গোসল করতে হবে)। আবূ সালামাহ (রাঃ) এরূপই করতেন। সহিহঃ মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ বাব->বীর্যপাতে গোসল অপরিহার্য হয় হাঃ-৬০৭

আবূ আয়্যূব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, বীর্যপাত হলে গোসল ওয়াজিব হয়। [৬০৪]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->পবিত্রতা বাব->বীর্যপাতের ফলে গোসল ওয়াজিব হয় হাঃ-১১২

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, “বীর্যপাত হলেই গোসল ওয়াজিব” এই হুকুম ইহতিলামের (স্বপ্নদোষের) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ইহতিলামের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য এই অংশটুকুর সনদ দুর্বল। আর সেটা মাওকূফ। হাদীসের বাকী অংশ সহীহ্‌। ইবনু মাজাহ- (৬০৬-৬০৭)।