সুনানে আবু দাউদ অঃ->পবিত্রতা অর্জন বাব->বীর্যরস (মযী) সম্পর্কে হাঃ-২০৬

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমার খুব বেশি মযী নির্গত হতো। এজন্য আমি গোসল করতাম, এমনকি (অত্যধিক গোসলের কারণে) আমার পিঠ ফেটে যেত (ব্যথা অনুভুত হতো)। তাই আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিষয়টি অবহিত করলাম কিংবা কেউ তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলো। তখন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন এরূপ করো না। তোমার (লজ্জাস্থানে) মযী দেখতে পেলে তা ধুয়ে নিবে এবং সালাতের উযুর ন্যয় উযু করবে। তবে বীর্য নির্গত হলে গোসল করবে। [২০৫] সহিহঃ তার এ কথাটি বাদেঃ ‘তবে বীর্য নির্গত হলে গোসল করবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->পবিত্রতা বাব->বীর্যপাতের দরুন গোসল হাঃ-১৯৪

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন আমার অত্যধিক মযী নির্গত হতো, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম [১] , তখন তিনি আমাকে বললেনঃ যখন তুমি মযী দেখতে পাও, তখন তোমার পুরুষাঙ্গ ধৌত করো ও উযূ করো, আর যখন বীর্যের ফোঁটা দেখতে পাবে, তখন গোসল করবে।