উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যখন তোমরা পীড়িত ব্যক্তি অথবা মৃত ব্যক্তির নিকট হাজির হও তখন তার সম্পর্কে ভাল মন্তব্য কর। কেননা তোমরা যেরূপ বল তার ওপর মালাকগণ (ফেরেশতামন্ডলী) আমীন বলেন। উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, এরপর যখন আবূ সালামাহ্ ইনতিকাল করলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বললাম। হে আল্লাহর রসূল! আবূ সালামাহ্ (রাঃ) ইনতিকাল করেছেন। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, “তুমি বল, হে আল্লাহ! আমাকে ও তাঁকে ক্ষমা কর এবং তাঁর পরে আমাকে উত্তম পরিণাম দান কর।” উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি তা বললাম। আল্লাহ আমাকে তার (আবূ সালামাহ্-এর) চেয়ে উত্তম প্রতিদান হিসেবে মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দান করলেন। (ই.ফা. ১৯৯৮, ই.সে. ২০০৫)
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা কোন মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তির কাছে উপস্থিত হলে উত্তম কথা বলবে। কেননা কথার সাথে ফেরেশতারা আমীন আমীন বলেন। আবূ সালমাহ (রাঃ) মারা গেলে আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কী বলবো? তিনি বললেনঃ তুমি বলো, “হে আল্লাহ! আপনি তাকে ক্ষমা করুন এবং আমাদেরকে কল্যাণকর পরিণতি দান করুন।” উম্মু সালমাহ (রাঃ) বলেন, এ দু‘আর বদৌলতে মহান আল্লাহ আমার কল্যাণময় পরিণতি দান করলেন মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে (তার সাথে বিবাহ হয়)। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (১৪৪৭)।
উম্মু সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ তোমরা রোগী কিংবা মৃতের নিকট উপস্থিত হলে (তার সম্পর্কে) ভালো কথা বলবে। কেননা তোমরা যা বলবে, ফেরেশতারা তার উপর আমীন’ বলবেন। আবূ সালামাহ (রাঃ) ইনতিকাল করলে, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহ্র রসূল! আবূ সালামাহ ইন্তিকাল করেছেন। তিনি বলেন, তুমি বলো, “হে আল্লাহ্! তুমি আমাকে ও তাকে ক্ষমা করো এবং আমাকে তার চেয়েও উত্তম প্রতিদান দাও।” রাবী বলেন, আমি তাই করলাম। আল্লাহ্ আমাকে তার চাইতেও উত্তম বিনিময় মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দান করেছেন। [১৪৪৭]