সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->ফার্‌যের পূর্বে ও পরে নিয়মিত সুন্নাতের ফাযীলাত এবং তার সংখ্যার বিবরণ হাঃ-১৫৭৯

‘আম্‌র ইবনু আওস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, যে রোগে ‘আমবাসাহ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান মৃত্যুবরণ করেছেন-সে রোগ শয্যায় থাকাকালে তিনি আমার কাছে এমন একটি হাদীস বর্ণনা করেছেন যা খুবই খুশীর বা আনন্দের। তিনি বলেছেন: আমি উম্মু হাবীবাহ্‌কে বলতে শুনেছি; তিনি বলেছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, দিন ও রাতে যে ব্যক্তি মোট ১২ রাক‘আত (সুন্নাত) সলাত আদায় করে তার বিনিময়ে জান্নাতে ঐ ব্যক্তির জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয়। উম্মু হাবীবাহ্‌ বলেছেন: আমি যে সময়ে রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর কাছে এ সলাত সম্পর্কে শুনেছি তখন থেকে আর কখনো তা আদায় করা পরিত্যাগ করিনি। ‘আম্‌বাসাহ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান বলেছেন: এ সলাত সম্পর্কে যখন আমি উম্মু হাবীবার কাছে শুনেছি; তখন থেকে আর ঐ সলাত গুলো কখনো পরিত্যাগ করিনি। ‘আম্‌র ইবনু আওস বলেছেনঃ যে সময়ে এ সলাত সম্পর্কে আমি ‘আম্‌বাসাহ্‌ ইবনু আবূ সুফ্‌ইয়ান- এর নিকট থেকে শুনেছি সে সময় থেকে আর কখনো তা পরিত্যাগ করিনি। নু’মান ইবনু সালিম বলেছেন: যে সময় আমি এ হাদীসটি ‘আম্‌র ইবনু আওস- এর নিকট থেকে শুনেছি তখন থেকে কখনো আর তা পরিত্যাগ করিনি। (ই.ফা. ১৫৬৪, ই.সে.১৫৭১)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->ফার্‌যের পূর্বে ও পরে নিয়মিত সুন্নাতের ফাযীলাত এবং তার সংখ্যার বিবরণ হাঃ-১৫৮০

নু’মান ইবনু সালিম (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে, (হাদীসটি হ’ল) যে ব্যক্তি দিনে ১২ রাক‘আত নফল (সুন্নাত) সলাত আদায় করে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হয়।[২৯]( ই.ফা. ১৫৬৫, ই.সে.১৫৭২)


সহিহ মুসলিম অঃ->যুহ্‌দ ও দুনিয়ার ব্যপারে আকর্ষণহীনতা সম্পর্কিত বর্ণনা বাব->মাসজিদ নির্মাণের ফাযীলাত হাঃ-৭৩৬২

‘আবদুল হামীদ ইবনু জা‘ফার (রহঃ) হতে এ সূত্র থেকে বর্নিতঃ

অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তাদের হাদীসের মধ্যে আছে যে, মহান আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর তৈরি করবেন। (ই.ফা. ৭২০২, ই.সে. ৭২৫৫)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৭৯৬

উম্মে হাবীবা বিন্‌ত আবূ সুফ্‌য়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রি ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৭৯৭

হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি আম্বাসা ইব্‌ন আবূ সুফয়ান (রাঃ)-এর কাছে বর্ণনা করেছেনঃ নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রি ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে আল্লাহ্‌ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৭৯৮

উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি দিনে বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্‌ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৭৯৯

ইয়া‘লা ইব্‌ন উমায়্যা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি তায়েফ গিয়ে আম্বাসা ইব্‌ন আবূ সুফ্‌য়ান (রাঃ)-এর কাছে গেলাম। তিনি তখন মৃত্যু শয্যায় ছিলেন। আমি তাঁর মধ্যে (মৃত্যুর) ভীতি লক্ষ্য করে বললাম, ভাল অবস্থাতেই তো আপনার মৃত্যু হচ্ছে। তিনি বললেন, আমাকে আমার বোন উম্মে হাবীবা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দিবা রাত্রে বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্‌ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৮০৪

উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সা:) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দিবা-রাত্রে বার রাকআত (সুন্নাত মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৮০৮

উম্মে হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ফরয ব্যতীত বার রাকআত (সুন্নাত মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, আল্লাহ্ তাআলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন। (রাবী বলেন) অথবা (তিনি বলেন) তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানানো হবে।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->দিবা রাত্রে ফরয সালাত ব্যতীত বার রাকআত সালাত আদায় করার সওয়াব হাঃ-১৮১১

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি দৈনিক বার রাকআত (সুন্নাতে মুওয়াক্কাদার) সালাত আদায় করবে, ফরয সালাত ব্যতীত, আল্লাহ্ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর বানাবেন।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->নাফ্‌ল ও সুন্নাত সালাতের রাক’আত সংখ্য হাঃ-১২৫০

উম্মু হাবীবা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দৈনিক বারো রাক’আত নাফ্‌ল সলাত আদায় করবে এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একখানা ঘর নির্মান করা হবে।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল বিতর (বিতর নামায) বাব->পূর্বাহ্নের (চাশতের) নামায হাঃ-৪৭৩

আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি পূর্বাহ্নের বার রাক’আত নামায আদায় করে আল্লাহ্‌ তা’আলা তার জন্য জান্নাতে একটি সোনার প্রাসাদ তৈরী করেন। যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৩৮০)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->বারো রাকআত সুন্নাতের বর্ণনা। হাঃ-১১৪১

উম্মু হাবীবাহ বিনতু আবূ সুফইয়ান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি দিনে বারো রাকআত (সুন্নাত) সালাত পড়লো, তার জন্য জান্নাতে একটি প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়। [১১৪১]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ের সালাত। হাঃ-১৩৭৩

আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি মাগরিব ও ইশার মধ্যবর্তী সময়ে বিশ রাকআত সালাত পড়ে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করেন। [১৩৭৩]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->চাশতের সালাত। হাঃ-১৩৮০

আনাস বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছি : যে ব্যক্তি বার রাকআত চাশতের সালাত পড়লো, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের মধ্যে একটি স্বর্ণের ইমারত নির্মাণ করেন। [১৩৮০]