সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালীন সলাত- আর যে ঘুমিয়ে পড়ে অথবা অসুস্থ হয়ে পড়ে হাঃ-১৬৩০

‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ কেউ তার (রাতের বেলার) অযীফাহ্ বা করণীয় কাজ কিংবা তার কিছু অংশ করতে ভুলে গেলে তা যদি সে ফাজ্‌র ও যুহরের সলাতের মধ্যবর্তী কোন এক সময়ে আদায় করে নেয় তাহলে তা এমনভাবে তার জন্য লিখে নেয়া হবে যেন সে তা রাতের বেলায়ই সম্পন্ন করেছে। (ই.ফা. ১৬১৫, ই.সে. ১৬২২)


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->নিদ্রার কারণে রাত্রের ওযীফা পালন করতে না পারে সে কখন তা কাযা করবে? হাঃ-১৭৯০

আব্দুর রহমান ইব্‌ন আবদুল কারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি উমর ইব্‌ন খাত্তাব (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম )বলেছেন, যে ব্যক্তি নিদ্রার কারণে পূর্ণ ওযীফা অথবা তার কিছু অংশ আদায় করতে না পারে এবং তা ফজর ও জোহরের সালাতের মধ্যবর্তী সময়ে আদায় করে নেয়। তার জন্য রাত্রে আদায় করার সমপরিমাণ সওয়াব লিখা হবে।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->ঘুমের কারণে ওযীফা ছুটে গেলে হাঃ-১৩১৩

‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ঘুমের কারণে রাতের বেলায় তসবীহ বা কুরআন পূর্ণরূপে পড়তে না পারায় তা ফাজ্‌র ও যুহরের সলাতের মধ্যবর্তী সময়ে পাঠ করে নিয়েছে, এর বিনিময়ে তাঁর জন্য ঐরূপ সওয়াব লিখা হয়, যেন সে রাতেই তা পাঠ করেছে। সহীহঃ মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->কিতাবুল জুমু’আ (জুমু’আর নামায) বাব->কারো রাতের নিয়মিত তিলাওয়াত ছুটে গেলে সে তা দিনে পূর্ণ করে নিবে হাঃ-৫৮১

আবদুর রহমান ইবনু ‘আবদুল ক্বারী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) -কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি নিজের নিয়মিত ‍ও নির্দিষ্ট পরিমাণ (কুরআন) তিলাওয়াত অথবা তার অংশবিশেষ বাকী রেখে ঘুমিয়ে গেল এবং ফজর ও যুহরের মাঝামাঝি সময়ে তা পাঠ করে নিল, সে যেন তা রাতেই পাঠ করে নিয়েছে বলে গণ্য হবে। -সহীহ। ইবনু মাজাহ- (১৩৪৩), মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->বিচার কার্য বাব->সাক্ষীর সাথে সাথে শপথও করানো হাঃ-১৩৪৩

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একজন সাক্ষী ও শপথের উপর নির্ভর করে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রায় প্রদান করেছেন। সহীহ্‌, ইরওয়া- (৮/৩০০-৩০৫), তানকীল- (২/১৫৬), রাওজুননাজীর- (৯৮৬), মুসলিম