ইমরান ইবন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জোহরের সালাত আদায় করলেন। এক ব্যক্তি তাঁর পেছনে ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’ পাঠ করল। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন, তখন বললেন, ‘সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ’লা’ কে পাঠ করল? এক ব্যক্তি বলল, আমি পড়েছি। তখন তিনি বললেন, আমি জানতাম, তোমাদের কেউ কিরাআতে আমার সাথে ঝামেলা সৃষ্টি করবে।
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু’আর সালাতে (আরবী) এবং (আরবী) পড়তেন।
সাঈদ আব্দুর রহমান ইব্ন আবযা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা”, “কূল ইয়া আয়্যুহাল কাফিরুন” এবং “কূল হুওয়াল্লাহু আহাদ” দ্বারা বিত্রের সালাত আদায় করতেন। আর যখন (সালাত থেকে) অবসর হয়ে যেতেন তখন তিনবার (......আরবী.....) পড়তেন।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” দ্বারা বিত্রের সালাত আদায় করতেন।
ইমরান ইব্ন হুসায়ন (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একবার জোহরের সালাত আদায় করছিলেন। তখন এক ব্যক্তি “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” তিলাওয়াত করল। তিনি সালাত আদায় শেষে জিজ্ঞাসা করলেন, “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” কে তিলাওয়াত করেছিল? এক ব্যক্তি বলল, আমি। তিনি বললেন, আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে, তোমাদের কেউ সালাতে আমাকে বিরক্ত করেছিলে।