ইব্নু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে প্রশ্ন করলেন, তখন তিনি মিম্বারে ছিলেন- আপনি রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে বলেন? তিনি বলেনঃ দু’রাক’আত দু’রাক’আত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারো ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয় তখন সে আরো এক রাক’আত আদায় করে নিবে। আর এটি তার পূর্ববর্তী সালাতকে বিত্র করে দেবে। [নাফি (রহঃ) বলেন] ইব্নু উমর (রাঃ) বলতেনঃ তোমরা বিত্রকে রাতের শেষ সালাত হিসেবে আদায় কর। কেননা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ নির্দেশ দিয়েছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫২, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৮)
ইব্নু উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–এর নিকট এমন সময় আসলেন যখন তিনি খুত্বা দিচ্ছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ রাতের সালাত কীভাবে আদায় করতে হয়? নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ দু’রাক’আত দু’রাক’আত করে আদায় করবে। আর যখন ভোর হবার আশঙ্কা করবে, তখন আরো এক রাক’আত আদায় করে নিবে। সে রাক’আত তোমরা পূর্বের সালাতকে বিত্র করে দিবে। ওয়ালীদ ইব্ন কাসীর (রহঃ) বলেনঃ উবাইদুল্লাহ ইব্নু আবদুল্লাহ্ (রহঃ) আমার নিকট বলেছেন যে, ইব্নু উমর (রাঃ) তাঁদের বলেছেনঃ এক ব্যক্তি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে সম্বোধন করে বললেন, তখন তিনি মসজিদে ছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৫৯)
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একজন জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহ্র রাসূল! রাতের বেলা সালাতের পদ্ধতি কি? তিনি বললেনঃ দু’ দু’ রাক’আত করে। আর ফজর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করলে এক রাক’আত মিলিয়ে বিত্র করে নিবে।
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (একদিন) জনৈক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল-হে আল্লাহর রসূল! রাতের সলাত কীভাবে আদায় করতে হবে? জবাবে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ রাতের সলাত দু‘ দু‘ রাক‘আত করে আদায় করবে। অতঃপর যখন ভোর হয়ে আসছে বলে মনে করবে তখন এক রাক‘আত বিত্র আদায় করবে। (ই.ফা. ১৬২০, ই.সে. ১৬২৭)
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসুলূল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ রাতের সলাত (নাফ্ল সলাত ) দু’ রাক‘আত করে আদায় করবে। তবে যখন দেখবে যে, সকাল হয়ে যাচেছ তখন এক রাক‘আত বিত্র আদায় করবে। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করা হল-দু‘ দু‘ রাক‘আত কীভাবে আদায় করতে হবে? তিনি বললেনঃ প্রতি দু‘ রাক‘আত আদায় করে সালাম ফিরাবে। (ই.ফা.১৬৩৩, ই.সে. ১৬৪০)
মুহাম্মাদ ইব্ন সাদাকাহ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ
সালিমের পিতা সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাত্রের সালাত দু’রাকআত দু’রাকআত। যখন ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় করে নেবে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে মিম্বারে দণ্ডায়মান থাকাকালীন রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে বলতে শুনেছি, “দু’রাকআত দু’রাকআত” (করে আদায় করবে) যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে, তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, মুসলমানদের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে জিজ্ঞাসা করল, “রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে?” তিনি বললেনঃ “রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বে আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।”
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
এক ব্যক্তি রাসূলূল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে রাত্রের সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃ্ত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।
আব্দুল্লাহ ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, এক বাক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! রাত্রের সালাত কিরূপে আদায় করতে হবে? রাসুলুল্লাহ্ বললেন, রাত্রের সালাত “দু’রাকআত, দু’রাকআত” (করে আদায় করবে)। যখন তুমি ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।
ইব্ন উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছেনঃ রাত্রের সালাত হল দু’রাকআত, দু’রাকআত। যখন তোমরা ভোর হয়ে যাওয়ার আশংকা করবে তখন একটি রাকআত দ্বারা (পূর্বের আদায়কৃত সমুদয় সালাতকে) বেজোড় বানিয়ে নেবে।
ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাতের নামায দুই দুই রাক’আত (করে আদায় করতে হয়)। তুমি যদি ভোর হয়ে যাওয়ার ভয় কর তবে এক রাক’আত করে বিতর পূর্ণ করে নাও। বিতর নামাযকেই তোমার সর্বশেষ নামায কর। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১৩১৯, ১৩২০), বুখারী ও মুসলিম।
ইবনু উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, রাতের (নফল) সালাত দু’ রাকআত করে পড়বে। [১৩১৯]