নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ ঈদের সলাতে ও জুমু‘আর সলাতে “সাব্বিহিস্মা রব্বিকাল আ’লা-“ ও “হাল আতা-কা হাদীসুল গ-শিয়াহ্” সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। বর্ণনাকারী বলেন, ঈদ ও জুমু‘আহ্ একই দিন হলেও তিনি উভয় সলাতে ঐ সূরাদ্বয় পাঠ করতেন। (ই.ফা. ১৮৯৮, ই.সে. ১৯০৫)
সামুরা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু’আর সালাতে (আরবী) এবং (আরবী) পড়তেন।
নু’মান ইব্ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমু’আর সালাতে (আরবী) এবং (আরবী) পাঠ করতেন। আর কখনো কখনো ঈদ এবং জুমু’আ একত্রিত হয়ে যেত তখন ঈদ এবং জুমু’আর উভয় সালাতে ঐ দুই সূরা পড়তেন।
নু‘মান ইব্ন বশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জুমুআ এবং ঈদের সালাতে “সাব্বিহিসমা রাব্বিকাল আ‘লা” এবং “হাল আতাকা হাদীছুল গাশিয়াহ” পড়তেন আর যখন জুমুআ এবং ঈদ একই দিনে হয়ে যেত তখন জুমুআ এবং ঈদের সালাত উক্ত সূরা দু’টি দ্বারা আদায় করতেন।
নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই ঈদের সালাত এবং জুমু’আহর সালাত ‘সাব্বিহিস্মা রব্বিকাল আ’লা’ ও ‘হাল আতা-কা হাদীসুল গা-শিয়াহ” সূরাহদ্বয় তিলাওয়াত করতেন। নু’মান ইবনু বাশীর (রাঃ) বলেন, ঈদ ও জুমু’আহ একই দিনে হলে তখনও তিনি এ দু’টি সূরাহ পাঠ করতেন। সহীহ: মুসলিম।
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই ‘ঈদের নামাযে এবং জুমু‘আর নামাযে “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আ’লা” এবং “হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়াহ্” সূরা দুটি পাঠ করতেন। কখনো কখনো ঈদ এবং জুমু’আর নামায একই দিনে হয়ে যেত। তিনি তখনও দুই নামাযে উল্লেখিত সূরা দুটিই পাঠ করতেন। সহীহ্। ইবনু মাজাহ- (১১১৯), মুসলিম।
নু‘মান বিন বাশীর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’ ঈদের সলাতে সূরাহ “সাব্বিহিসমা রব্বিকাল আলা” ও সূরা “হাল আতাকা হাদীসুল গাশিয়া” পড়তেন। [১২৮১]