সুনান নাসাঈ অঃ->সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ বাব->ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত আর এক প্রকার গ্রহণকালীন সালাত হাঃ-১৪৬৯

আব্দুল্লাহ ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

যে, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য গ্রহণের দিন সালাত আদায় করেছিলেন। তখন তিনি দু’রাকআতে চার রুকূ এবং চার সিজদা করেছিলেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ বাব->অন্য আর এক প্রকার সূর্য গ্রহণকালীন সালাত হাঃ-১৪৭০

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর যুগে সূর্যের গ্রহণ লাগলো। তখন তিনি মানুষদের নিয়ে দীর্ঘক্ষন পর্যন্ত দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি তাদের নিয়ে দাঁড়ালেন, তারপর রুকূ করলেন, আবার দাঁড়ালেন, তারপর রুকূ করলেন, আবার দাঁড়ালেন, তারপর রুকূ করলেন, এভাবে তিনি প্রতি রাকাআতে তিন রুকূসহ দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। তৃতীয় বার রুকূ পরে তিনি সিজদা করলেন। এমনকি কিছু লোক সেদিন দীর্ঘক্ষন দাঁড়িয়ে থাকার জন্য সংজ্ঞা হারিয়ে ফেলেছিল। যে কারণে তাদের ওপর প্রচুর পানি ঢালা হয়েছিল। তিনি যখন রুকূ করতেন তখন বলতেন, “আল্লাহ আকবার” আর যখন রুকূ থেকে মাথা উঠাতেন, তখন বলতেন, “সামিআল্লাহু লিমান হামিদা” তিনি সূর্য আলোকিত না হওয়া পর্যন্ত সালাত শেষ করলেন না। এরপর তিনি দাঁড়িয়ে আল্লাহর গুন বর্ণনা ও প্রশংসা করলেন এবং বললেন কারো জন্ম-মৃত্যুর কারণে চন্দ্র সূর্য গ্রহণ হয় না, বরং তা আল্লাহর নিদর্শন সমুহের দু’টো নিদর্শন। আল্লাহ্ তা‘আলা তদ্বারা তোমাদের ভীতি প্রদর্শন করেন। সুতরাং যখন তাদের গ্রহণ লাগে, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও, তা আলোকিত না হওয়া পর্যন্ত।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাতুল ইসতিস্‌কা (বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত) বাব->সূর্যগ্রহণের সলাতের জন্য আহবান করা হাঃ-১১৯০

‘আয়িশাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, একদা সূর্যগ্রহণ হলে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক ব্যক্তিকে ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ করেন যে, সলাতের জামা’আত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে (কাজেই তোমরা একত্রিত হও)। সহীহঃ মুসলিম। বুখারী তা’লীক্বভাবে।