সুনানে আবু দাউদ অঃ->নফল সালাত বাব->ক্বিয়ামুল লাইল হাঃ-১৩০৭

‘আব্দুল্লাহ ইবনু আবূ ক্বায়িস (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেছেন, তুমি রাতের ক্বিয়াম ছেড়ে দিবে না। কারণ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো একে পরিত্যাগ করতেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অসুস্থ হলে কিংবা অলসতা বোধ করলে বসে সলাত আদায় করতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->আযান বাব->সালাত আরম্ভ হওয়ার সময় মুয়ায্যিন কর্তৃক ইমামকে অবহিত করা হাঃ-৬৮৫

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন : নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাতের পর থেকে ফজরের সালাত পর্যন্ত সময়ে এগার রাক‘আত সালাত আদায় করতেন। প্রত্যেক দুই রাক‘আতের পর সালাম ফিরাতেন। বিতরের এক রাক‘আত পড়তেন [১] এবং এত দীর্ঘ সিজদা করতেন যে, সে সময়ে তোমাদের একজন কুরআনের পঞ্চাশটি আয়াত পড়তে পারে। তারপর মাথা উঠাতেন। মুয়ায্‌যিন আযান দেওয়া শেষ করলে তিনি ফজরের সালাতের সময় জ্ঞাত হয়ে দুই রাকা’আত সংক্ষিপ্ত সালাত আদায় করতেন এবং ডান পার্শ্বে শুয়ে পড়তেন। মুয়ায্‌যিন ইকামতের বিষয়ে তার নিকট আসত। তিনি তার সঙ্গে বের হতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->বিতর, তাহাজ্জুদ এবং দিনের নফল সালাত বাব->বিত্‌রের সালাত অন্তে সিজদার পরিমাণ হাঃ-১৭৪৯

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লালাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ইশার সালাত থেকে অবসর হওয়ার পর ফজরের সালাত পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে ফজরের দু'রাকআত সুন্নাত সালাত ব্যতীত রাত্রে এগার রাকআত সালাত আদায় করতেন এবং তোমাদের কারো পঞ্চাশ আয়াত পড়ার সমপরিমাণ সময় পর্যন্ত (প্রতিটি) সিজদা (দীর্ঘ) করতেন।