সহিহ মুসলিম অঃ->তাহারাত (পবিত্রতা) বাব->মোজার উপর মাসাহ করার সময় সীমা হাঃ-৫২৬

শুরায়হ ইবনু হানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) এর কাছে আসলাম, মোজার উপর মাসাহ করার মাসআলাহ জিজ্ঞেস করতে। তিনি বললেন, আবূ তালিবের পুত্র [‘আলী (রাঃ)] এর কাছে গিয়ে এ মাসআলাহ জিজ্ঞেস কর। কারণ সে রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সাথে সফর করত। অতঃপর আমরা তাঁকে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন; রসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সফরকারীর জন্যে তিন দিন তিন রাত নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন এবং বাড়ীতে অবস্থানকারীদের জন্যে এক দিন এক রাত। এ হাদীসের সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) যখন তাঁর উস্তায ‘আমর-এর উল্লেখ করতেন তখন তাঁর প্রশংসা করতেন। (ই.ফা. ৫৩০, ই.সে. ৫৪৬)


সহিহ মুসলিম অঃ->তাহারাত (পবিত্রতা) বাব->মোজার উপর মাসাহ করার সময় সীমা হাঃ-৫২৮

শুরায়হ ইবনু হানী (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ্‌(রাঃ)-কে মোজার উপর মাসাহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, ‘আলীর কাছে যাও। কারণ এ ব্যাপারে সে আমার চেয়ে বেশি জানে। আমি ‘আলী (রাঃ)-এর কাছে এলাম। তিনি রসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) থেকে অনুরূপ উল্লেখ করলেন। (ই.ফা. ৫৩২. ই.সে. ৫৪৮)


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->পবিত্রতা ও তার সুন্নাতসমূহ বাব->মুকীম ও মুসাফিরের জন্য মাসহ করার সময়সীমা হাঃ-৫৫২

আলী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাঃ)-কে মোজাদ্বয়ের উপর মাসহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তুমি আলীর নিকট যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস করো। কারণ তিনি এ সম্পর্কে আমার চেয়ে অধিক জ্ঞাত। অতএব আমি আলী (রাঃ)-এর নিকট পৌঁছে তাকে মাসহ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে মাসহ করার নির্দেশ দিয়েছেনঃ মুকীমের জন্য একাধারে এক দিন ও এক রাত এবং মুসাফিরের জন্য পূর্ণ তিন দিন পর্যন্ত। [৫৫০]