‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু বুহায়নাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, কোন এক সালাতে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দু’রাক‘আত আদায় করে না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। মুসল্লীগণ তাঁর সঙ্গে দাঁড়িয়ে গেলেন। যখন তাঁর সালাত সমাপ্ত করার সময় হলো এবং আমরা তাঁর সালাম ফিরানোর অপেক্ষা করছিলাম, তখন তিনি সালাম ফিরানোর পূর্বে তাক্বীর বলে বসে বসেই দু’টি সিজদা করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন।
‘আবদুল্লাহ্ ইব্নু বুহাইনাহ আসাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
যিনি বানূ ‘আবদুল মুত্তালিবের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তিবদ্ধ ছিলেন তাঁর হতে বর্ণিত। আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহ্রের সালাতে (দু’রাক‘আত আদায় করার পর) না বসে দাঁড়িয়ে গেলেন। সালাত পূর্ণ করার পর সালাম ফিরাবার পূর্বে তিনি বসা অবস্থায় ভুলে যাওয়া বৈঠকের স্থলে দু’টি সিজদা সম্পূর্ণ করলেন, প্রতি সিজদায় তাক্বীর বললেন। মুসল্লীগণও তাঁর সঙ্গে এ দু’টি সিজদা করল। ইব্নু শিহাব (রহঃ) হতে তাক্বীরের কথা বর্ণনায় ইব্নু জুরাইজ (রহঃ) লায়স (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।
‘আবদুল্লাহ ইবনু বুহায়নাহ্ আল আসদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, (একদিন) রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের সলাতে (দু’ রাকা’আতের পর) না বসেই দাঁড়িয়ে গেলেন সলাত শেষ করে, অর্থাৎ- সলাতের শেষ পর্যায়ে তিনি সালাম ফিরানোর পূর্বে ভুলে যাওয়া বৈঠকের পরিবর্তে বসে বসেই দু’টি সাজদাহ্ করলেন এবং প্রতিটি সাজদাতেই তাকবীর বললেন। লোকজন সবাই তার সাথে সাথে সাজাদাহ্ দু’টি করলেন। (ই.ফা. ১১৫০, ই.সে. ১১৫৯)
‘আবদুল্লাহ ইবনু বুহাইনাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি দু’রাক‘আত আদায় করে (তাশাহ্হুদের জন্য) না বসেই দাঁড়িয়ে গেলেন। লোকেরা তাঁর সাথে দাড়িঁয়ে গেল। সালাত শেষে আমরা যখন সালামের অপেক্ষায় ছিলাম তখন তিনি তাকবীর বলে সালামের পূর্বে বসা অবস্থায় দু’টি সাজদাহ্ করলেন, তারপর সালাম ফিরালেন। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।
আবদুল্লাহ ইবনু বুহাইনা আল-আসাদী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যুহরের নামাযে (দ্বিতীয় রাক’আতে) বসার পরিবর্তে দাঁড়িয়ে গেলেন। নামায শেষ করার পর সালাম ফিরানোর আগে তিনি বসা অবস্থায় তাকবীরসহকারে দুটি সাজদাহ্ করলেন। তার সাথের লোকেরাও সাজদাহ্ করলো। ভুলে বর্জিত বসার পরিবর্তে এ সাজদাহ্। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(১২০৬, ১২০৭), বুখারী ও মুসলিম।