সহিহ মুসলিম অঃ->মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহ বাব->সলাতের শিশুদেরকে কাঁধে উঠানো যায় হাঃ-১১০০

আবূ ক্বাতাদাহ্‌ আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -কে দেখেছি, তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতে লোকদের ইমামতি করছেন আর তাঁর নাতনী আবুল ‘আস ইবনুর রাবী’-এর ঔরসজাত কন্যা উমামাহ্‌-কে (রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কন্যা যায়নাবের গর্ভজাত মেয়ে) তাঁর কাধের উপর রেখে ইমামতি করতে দেখেছি। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন রুকু‘তে যাচ্ছেন তখন তাকে (কাঁধ থেকে) নামিয়ে রাখছেন, আবার সাজদাহ্ থেকে উঠার পড় পুনরায় কাঁধে উঠিয়ে নিচ্ছেন। (ই.ফা. ১০৯৪, ই.সে. ১১০২)


সুনান নাসাঈ অঃ->ইমামত বাব->ইমামের জন্য সালাতে যা বৈধ হাঃ-৮২৭

আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে দেখেছি, তিনি লোকের ইমামতি করছেন। আর তখন তিনি উমামা বিনত আবুল আসকে তাঁর কাঁধে উঠিয়ে রাখছেন। যখন তিনি রুকূ করছেন, তাকে রেখে দিচ্ছেন, আর যখন সিজদা থেকে উঠছেন, তাকে পুনরায় তুলে নিচ্ছেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে শিশু সন্তানকে কোলে তুলে নেওয়া এবং (নিচে) রাখা হাঃ-১২০৪

আবু কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাত আদায়কালীন সময়ে (তাঁর দৌহিত্রী) উমামা (রাঃ)-কে কাঁধে তুলে নিতেন এবং যখন সিজদায় যেতেন তাকে (নিচে) রেখে দিতেন। আবার যখন দাঁড়াতেন কোলে তুলে নিতেন।