সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সিজদার তাকবীর পূর্ণভাবে বলা । হাঃ-৭৮৬

মুতার্‌রিফ ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ‘ইমরান ইব্‌নু হুসায়ন (রাঃ) ‘আলী ইব্‌নু ত্বলিব (রাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন সিজদায় গেলেন তখন তাকবীর বললেন, সিজদা হতে যখন মাথা উঠালেন তখনও তাকবীর বললেন, আবার দু’রাক‘আতের পর যখন দাঁড়ালেন তখনও তাকবীর বললেন। তিনি যখন সালাত শেষ করলেন তখন ‘ইমরান ইব্‌নু হুসায়ন (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, ইনি [‘আলী (রাঃ)] আমাকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন বা তিনি বলেছিলেন, আমাদের নিয়ে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করেছেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->দু’ সিজদার শেষে উঠার সময় তাকবীর বলবে । হাঃ-৮২৬

মুতার্‌রিফ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি ও ‘ইমরান (রাঃ) একবার ‘আলী ইব্‌নু আবূ ত্বলিব (রাঃ)-এর পিছনে সালাত আদায় করি। তিনি সিজদা করার সময় তাকবীর বলেছেন। উঠার সময় তাকবীর বলেছেন এবং দু’রাক’আত শেষে দাঁড়ানোর সময় তাকবির বলেছেন। সালাম ফিরানোর পর ‘ইমরান (রাঃ) আমার হাত ধরে বললেন, ইনি তো (‘আলী) আমাকে মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত স্মরণ করিয়ে দিলেন।


সহিহ মুসলিম অঃ->ঈমান বাব->মহান আল্লাহর বাণীঃ “ তোমার নিকটাত্মীয়দেরকে সতর্ক করে দাও” (সূরাহ্‌ আশ্‌ শু’আরা ২৬ : ২১৪) হাঃ-৩৯৩

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ই.ফা. ৩৯৯; ই.সে. ৪১২)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সিজদার জন্য তাকবীর বলা হাঃ-১০৮২

মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি এবং ইমরান ইব্‌ন হুসাইন, আলী ইব্‌ন আবু তালিব (রাঃ)-এর পেছনে সালাত আদায় করলাম। তিনি যখন সিজদা করলেন, তখন তাকবীর বললেন। আর যখন তিনি সিজদা থেকে মাথা তুললেন, তখন তাকবীর বললেন। যখন দু‘রাকাতের পর দাঁড়ালেন তখনও তাকবীর বললেন। সালাত শেষ হওয়ার পর ইমরান আমার হাত ধরে বললেন, ইনি [আলী (রাঃ) আমাকে স্মরণ করিয়ে দিলেন, তিনি এমন একটি বাক্য বললেন, যার অর্থ হলো- মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাত।