সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->শেষ বৈঠকে তাশাহ্‌হুদ পড়া । হাঃ-৮৩১

শাকীক ইব্‌নু সালামা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ (ইব্‌নু মাসউদ) (রাঃ) বলেন, আমরা যখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সালাত আদায় করতাম, তখন আমরা বলতাম, “আস্‌সালামু আলা জিব্‌রীল ওয়া মিকাইল এবং আস্‌সালামু আলা ফুলান ওয়া ফুলান।” তখন আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ আল্লাহ্‌ নিজেই তো সালাম, তাই তখন তোমরা কেউ সালাত আদায় করবে, তখন সে যেন বলে- التَّحِيّاتُ للَّهِ وَالصَّلَواتُ وَالطَيِّباتُ السَّلامُ عَلَيكَ إِيُّهاَ النَّبِيُّ وَرَحمَةُ اللهِ وَبَرَكاتُهُ السَّلامُ علَيناَ وَعَلَى عِبادِ اللهِ الصالِحينَ “সকল মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ‘ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর আল্লাহর সালাম, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের ও আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর বর্ষিত হোক।” কেননা, যখন তোমরা এ বলবে তখন আসমান ও যমীনের আল্লাহ্‌র সকল নেক বান্দার নিকট পৌছে যাবে। এর সঙ্গে أَشهَدُ أَن لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ واَشهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبدُهُ وَرَسولُهُ (আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন মা’বূদ নেই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রসূল)-ও পড়বে।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->তাশাহ্‌হুদের পর যে দু‘আটি বেছে নেয়া হয়, অথচ তা আবশ্যক নয় । হাঃ-৮৩৫

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মাস’উদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমাদের অবস্থা এ ছিল যে, যখন আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সঙ্গে সালাতে থাকতাম, তখন আমরা বলতাম, বান্দার পক্ষ হতে আল্লাহ্‌র প্রতি সালাম। সালাম অমুকের প্রতি, সালাম অমুকের প্রতি। এতে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ্‌র প্রতি সালাম, তোমরা এরূপ বল না। কারণ আল্লাহ্‌ নিজেই সালাম। বরং তোমরা বল- التَّحِيّاتُ للَّهِ وَالصَّلَواتُ وَالطَيِّباتُ السَّلامُ عَلَيكَ إِيُّهاَ النَّبِيُّ وَرَحمَةُ اللهِ وَبَرَكاتُهُ السَّلامُ علَيناَ وَعَلَى عِبادِ اللهِ الصالِحينَ “সমস্ত মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ্‌র জন্য। হে নবী! আপনার উপর প্রতি সালাম এবং আল্লাহ্‌র রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র নেক বান্দাগণের প্রতি।” তোমরা যখন তা বলবে তখন আসমান বা আসমান ও যমীনের মধ্যে আল্লাহ্‌র প্রত্যেক বান্দার নিকট তা পৌছে যাবে। (এরপর বলবে) أَشهَدُ أَن لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ واَشهَدُ أَنَّ مُحَمَّداً عَبدُهُ وَرَسولُهُ "আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ্‌ ব্যতীত আর কোন মাবূদ নাই এবং আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চয়ই মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল।" তারপর যে দু'আ তার পছন্দ হয় তা সে বেছে নিবে এবং পড়বে।


সহিহ বুখারী অঃ->সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ বাব->সালাতে যে ব্যক্তি প্রত্যক্ষভাবে কারো নাম নিলো অথবা কাউকে সালাম করল অথচ সে তা অবগতও নয়। হাঃ-১২০২

‘আবদুল্লাহ্‌‌ ইব্‌নু মাস্‌‘ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা সালাতের (বৈঠকে) আত্‌তাহিয়্যাতু......বলতাম, তখন আমাদের একে অপরকে সালামও করতাম। আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা শুনে ইরশাদ করলেন : তোমরা বলবে- التَّحيّاتُ لله “যাবতীয় মৌখিক, দৈহিক ও আর্থিক ইবাদত আল্লাহ্‌রই জন্য। হে (মহান) নবী! আপনার প্রতি সালাম এবং আল্লাহ্‌র রহমত ও বরকত (বর্ষিত)- হোক। সালাম আমাদের প্রতি এবং আল্লাহ্‌র সালিহ্‌ বান্দাদের প্রতি; আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এক আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কোন প্রকৃত ইলাহ্‌ নেই। এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বান্দা ও রাসূল।” কেননা, তোমরা এরূপ করলে আসমান ও যমীনে আল্লাহ্‌র সকল নেক বান্দাকে তোমরা যেন সালাম করলে।


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ তিনিই শান্তি, তিনিই নিরাপত্তা বিধানকারী। হাঃ-৭৩৮১

আবদুল্লাহ্ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পেছনে সালাত আদায় করতেন। তখন আমরা বলতাম, আল্লাহর উপর সালাম। তখন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ্ তো নিজেই সালাম। হাঁ, তোমরা বল, .......التَّحِيَّاتُ للهِ অর্থাৎ মৌখিক, শারীরিক ও আর্থিক সকল ‘ইবাদাত একমাত্র আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বারাকাত অবতীর্ণ হোক। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ্ ব্যতীত কোন ইলাহ্ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল। [৮৩১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৮৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮৭৭)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাতে তাশাহহুদ পাঠ করা হাঃ-৭৮৩

‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , আমরা রসূ্লুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পিছনে সলাত আদায় করার সময় (বৈঠকে) বলতাম, ‘আল্লাহর উপর সালাম হোক, অমুকের উপর শান্তি বর্ষিত হোক,একদিন রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের বললেনঃ বস্তুত আল্লাহ নিজেই সালাম (শান্তিদাতা)। অতএব তোমাদের কেউ যখন সলাতে বসে সে যেন বলে, “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লা-হি ওয়াস্ সলাওয়া-তু ওয়াত্ তইয়্যিবা-তু আসসালা-মু ‘আলাইকা আইয়ুহান্ নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকাতুহু আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-ইবা-দিল্লা-হিস স-লিহীন’ অর্থাৎ “ যাবতীয় মান-মর্যাদা , প্রশংসা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমাত ও বরকত অবতীর্ণ হোক। আমাদের এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি নেমে আসুক।” যখন সে এ কথা গুলো বলে, তখন তা আল্লাহর প্রতিটি নেক বান্দাদের নিকট পৌঁছে যায়, সে আসমানে বা জমিনেই থাক। (অতঃপর বলবে) “আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়ারসুলুহু” অর্থাৎ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা ও রসূল।” অতঃপর সলাত আদায়কারী তার ইচ্ছানুযায়ী যে কোন দু’আ পড়তে পারে। (ই.ফা. ৭৮০, ই. সে. ৭৯২)


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাতে তাশাহহুদ পাঠ করা হাঃ-৭৮৮

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যেভাবে কুরআনের সূরাহ্ শিক্ষা দিতেন, ঠিক সেভাবেই আমাদেরকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ আত্তাহিয়্যা-তুল-মুবা-রাকা-তুস সলাওয়া-তুত্ তাইয়্যিবা-তু লিল্লা-হিস্ সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যুহান্ নাবিয়্যু ওয়ারহমাতুল্ল-হি ওয়াবারাকা-তুহ্ আসসালা-মু ‘আলাইনা – ওয়া’আলা-‘ইবা-দিল্লা হিস স-লিহীন , আশহাদু আল লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসুলুল্ল-হ”। অর্থাৎ “যাবতীয় সম্মান ও মর্যাদা , প্রাচুর্য , প্রশংসা এবং পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বারাকাত অবতীর্ণ হোক। আমাদের ও আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য ইলাহ নেই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি, মুহাম্মাদ আল্লাহর রসূল।” ইবনু রুমহ এর বর্ণনায় আছেঃ তিনি যেভাবে আমাদের কুরআন শিক্ষা দিতেন। (ই.ফা. ৭৮৫, ই.সে. ৭৯৭)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহুদ পাঠ হাঃ-৯৬৮

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন সালাত রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে তাশাহহুদের বৈঠক বসতাম তখন বলতাম, “বান্দাদের পূর্বে আল্লাহর প্রতি সালাম, তারপর অমুক ও অমুকের প্রতি সালাম। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা “আল্লাহর প্রতি সালাম বর্ষিত হোক” এরূপ বলো না। কেননা আল্লাহ নিজেই সালাম বা শান্তিদাতা। বরং তোমরা সালাতের তাশাহহুদের বৈঠকে বসে বলবে, “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্সলাওয়াতু ওয়াত্-ত্বায়্যিবাতু। আস্সালামু ‘আলাইকা আইউহান্ নাবীয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস সালিহীন”-(অর্থঃ আমাদের সব সালাম ও অভিবাদন, সালাত ও দু‘আ এবং পবিত্রতা মহান আল্লাহর জন্য। হে নাবী! আপনার উপর সালাম, আল্লাহর রহমত ও কল্যান বর্ষিত হোক। আমাদের ও আল্লাহর সকল নেক বান্দার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)। কেননা তোমরা যখন এটা পাঠ করবে তখন তা আসমান ও যমীন অথবা আসমান ও যমীনের মাঝে আল্লাহর যত নেক বান্দা আছে সবার নিকটেই পৌছে যাবে। “আশ্হাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রসূলুহু”-(অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নাই। আমি আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও রসূল। এরপর তোমরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী দু‘আ পাঠ করবে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহুদ পাঠ হাঃ-৯৭১

ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি তাশাহুদ সম্পর্কে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে হাদীস বর্ণনা করেনঃ “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্-সলাওয়াতু ওয়াত ত্বায়্যিবাতু। আস্সালামূ ‘আলাইকা আয়্যুহান্ নাবীয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু”। বর্ণনাকারী বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বলেন, “বারাকাতুহু” শব্দটি আমি নিজে সংযোজিত করেছি। “আস্সালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস সালিহীন, আশ্হাদু আল্-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”। আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার বলেন, এখানে ওয়াহ্দাহু লা শারীকালাহু” কথাটি আমি যোগ করেছি। “ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রসূলুহু ”।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->তাশাহুদ পাঠ হাঃ-৯৭৪

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে কুরআন শিক্ষার মত করেই তাশাহুদ শিক্ষা দিতেন। তিনি বলতেনঃ আত্তাহিয়্যাতুল মুবারাকাতুস সলাওয়াতুত ত্বায়্যিবাতু লিল্লাহি। আল্সালামু ‘আলাইকা আয়্যুহান নাবীয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস সলিহীন। ওয়া আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশ্হাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ। সহীহঃ মুসলিম।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->তাশাহ্‌হুদ সম্পর্কে। হাঃ-৮৯৯

আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে সালাত পড়ার সময় বলতাম "আল্লাহর উপর সালাম তার বান্দাদের পক্ষ থেকে, জিবরাঈল, মীকাইল ও অমুক অমুক ফেরেশতাদের উপরও শান্তি বর্ষিত হোক। আমাদের এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "তোমরা আসসালামু আলাল্লাহ বলো না। আল্লাহ্ই তো সালাম (শান্তিদাতা)। অতয়েব তোমরা বসে বলবে: “আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি --- আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু” অর্থাৎ “সমস্ত সম্মান, ইবাদত, উপাসনা ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক,আল্লাহর রহমত ও প্রাচুর্যও। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক”। সে এ কথা বললে আসমান ও যমীনের সকল নেক বান্দাদের নিকট তা পৌছে। “আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মদ তার বান্দা ও রসূল”। (উপরোক্ত হাদীসটি ১৫ টি সনদে বর্ণিত হয়েছে, অপর সনদগুলো হলঃ) ১. আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। ২. আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদেরকে তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন…..পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। [৮৯৭] তাহকীক আলবানী: সহীহ।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->তাশাহ্‌হুদ সম্পর্কে। হাঃ-৯০০

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে তাশাহুদ শিক্ষা দিতেন, যেমন তিনি আমদেরকে কুরআনের সুরা শিখাতেন। তিনি বলতেনঃ (আরবি) (আত্তাহিয়্যাতুল মুবারাকাতুস সলাওয়াতুত তায়্যিবাতু লিল্লাহি আস-সালামু আলাইকা আয়্যুহান নবীয়ু ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ। আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস স্বালিহিন। আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রসুলুহু)। “সমস্ত বরকতময় সম্মান, ইবাদত ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি এবং আল্লাহর রহমত ও করুণা বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দেই যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই, আমি, আরও সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মদ আল্লাহর বান্দাহ ও রাসুল”। [৮৯৮]


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->তাশাহ্‌হুদ সম্পর্কে। হাঃ-৯০১

আবু মুসা আল-আশআরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের উদ্দ্যেশ্যে ভাষণ দেন, আমাদের জন্য আমাদের পালনীয় সুন্নাতসমুহ স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেন এবং আমাদেরকে আমাদের সালাত শিক্ষা দেন। তিনি বলেন, তোমরা যখন সালাত পড়বে, এবং বৈঠকে বসবে তখন তোমাদের প্রথম কথা হবেঃ "আত্তাহিয়্যাতুত তায়্যিবাতুস সলাওয়াতু.........ওয়া রসূলুহু"। ("সমস্ত প্রশংসা,পবিত্রতা ও, ইবাদত আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক,আল্লাহর রহমত ও বরকতও। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দেই যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও রসূল”)। এই সাতটি বাক্যই সলাতের আত্তাহিয়াতু। [৯০০] তাহকীক আলবানী: (ছাবউ কালিমাতিন) কথাটি ছাড়া সহীহ।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->তাশাহ্‌হুদ সম্পর্কে। হাঃ-৯০২

জাবির বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তাশাহুদ শিক্ষা দিতেন, যেমন তিনি আমাদেরকে কুরআনের সুরা শিক্ষা দিতেন। (বিসমিল্লাহি ওয়া বিল্লাহি.......আউযুবিল্লাহি মিনান নার। (আল্লাহর নামে ও আল্লাহর তাওফিকে শুরু করছি। সমস্ত সম্মান, ইবাদত ও পবিত্রতা আল্লাহর জন্য। হে নবী! আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহর রাহমত ও বারকাতও। আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক। আমি সাক্ষ্য দেই যে আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই।আমি আরও সাক্ষ্য দেই যে মুহাম্মদ তাঁর বান্দাহ্‌ ও তাঁর রসূল। আমি আল্লাহর নিকট জান্নাতের প্রার্থনা করি ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই)। [৯০১]


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->একই বিষয় সম্পর্কিত হাঃ-২৯০

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন. রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদেরকে যেভাবে কুরাআন শিক্ষা দিতেন ঠিক অনুরূপভাবে ‘তাশাহ্‌হুদ’ শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলতেনঃ “আত্তাহিয়্যাতুল মুবারাকাতুস সালাওয়াতুত তাইয়্যিবাতু লিল্লাহি.............মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ”। সহীহ্। ইবনু মাজাহ-(৯০০), মুসলিম।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬২

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন, আমরা যখন দু’রাকআতে বসি তখন আমরা যেন বলি (আরবি)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬৪

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আমাদের সালাতের তাশাহহুদ এবং প্রয়োজনের সময় পড়ার তাশাহহুদ শিক্ষা দিয়েছেন। সালাতের তাশাহহুদ হলো------


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬৬

আবদুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সাথে ছিলাম। আমারা কিছুই জানতাম না। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)আমাদের বললেন, তোমরা প্রত্যেক বৈঠকে বলবে (......আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬৭

আবদুল্লাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন সালাত আদায় করতাম তখন কি বলব আমরা তা জানতাম না। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের এক পূর্ণাংগ দোয়া শিক্ষা দিলেন। তিনি আমাদের বললেন, তোমরা বলো (------আরবী) আলকামা (রহঃ) বলেন, ইবন মাসঊদ (রহঃ) এ বাক্যগুলো আমাদের এমনভাবে শিক্ষা দিতেন যেমনি ভাবে তিনি আমাদের কুরআন শিক্ষা দিতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬৭

আবদুল্লাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন সালাত আদায় করতাম তখন কি বলব আমরা তা জানতাম না। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের এক পূর্ণাংগ দোয়া শিক্ষা দিলেন। তিনি আমাদের বললেন, তোমরা বলো (------আরবী) আলকামা (রহঃ) বলেন, ইবন মাসঊদ (রহঃ) এ বাক্যগুলো আমাদের এমনভাবে শিক্ষা দিতেন যেমনি ভাবে তিনি আমাদের কুরআন শিক্ষা দিতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬৭

আবদুল্লাহ(রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা যখন সালাত আদায় করতাম তখন কি বলব আমরা তা জানতাম না। তারপর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের এক পূর্ণাংগ দোয়া শিক্ষা দিলেন। তিনি আমাদের বললেন, তোমরা বলো (------আরবী) আলকামা (রহঃ) বলেন, ইবন মাসঊদ (রহঃ) এ বাক্যগুলো আমাদের এমনভাবে শিক্ষা দিতেন যেমনি ভাবে তিনি আমাদের কুরআন শিক্ষা দিতেন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৬৯

ইবন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে সালাত আদায় করতাম ও বলতাম (......আরবী) তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা (.........আরবী) বলো না। কেননা, আল্লাহই সালাম বরং তোমরা বলো-(......আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৭০

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) থেকে বর্ণিত যে, তিনি তাশাহহদে পড়েছেন, (...আরবী)। আবু আবদুর রহমান বলেন, আবু হাশিম বর্ণনাকারীদের মধ্যে মশহুর নন।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->প্রথম তাশাহহুদ কিরুপে করবে? হাঃ-১১৭১

আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তাশাহহুদ শিক্ষা দিয়েছেন। যেরূপ তিনি আমাদের কুরআনের শিক্ষা দিতেন। আর তখন আমার হাত তাঁর হস্ত মুবারক দ্বয়ের মধ্যে থাকতো। (আর তা হচ্ছে)ঃ (...আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->তাশাহহদের অন্য প্রকার হাঃ-১১৭৩

হিত্তান ইবন আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তারা (কিছু সংখ্যক লোক) আবু মূসা (রা)-এর সাথে সালাত আদায় করেছেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন, যখন শেষ বৈঠকের নিকট হবে তখন তোমাদের প্রথম কথাই হবে (----------আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->তাশাহহদের অন্য প্রকার হাঃ-১১৭৪

ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের ঐরূপেই তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন যেভাবে আমাদের কুরআন শিখাতেন, তিনি বলতেন (......আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->তাশাহহদের অন্য প্রকার হাঃ-১১৭৫

জাবির (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন যেভাবে আমাদের কুরআনের শিক্ষা দিতেন। (তিনি বলতেন) (--------আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->সালাতে তাশাহহুদ ওয়াজিব হওয়া হাঃ-১২৭৭

ইব্‌ন মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমরা তাশাহহুদ-এর বিধান অবতীর্ণ হওয়ার পূর্বে সালাতে বলতামঃ আল্লাহর উপর সালাম, জিবরাঈল ও মীকাঈলের উপর সালাম। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমরা এরূপ বলবে না। কেননা আল্লাহ তা’আলাই স্বয়ং সালাম বরং তোমরা বলবেঃ (...আরবী)।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->তাশাহহুদ কিরূপ? (তাশাহহুদের বর্ণনা) হাঃ-১২৭৯

আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, আল্লাহ তা’আলাই স্বয়ং সালাম। অতএব, তোমাদের কেউ যখন (সালাত আদায়কালে) বসে তখন সে যেন বলেঃ (আরবি) এরপর দোয়া মাছুরা (কুরআন-হাদীসে বর্ণিত) দোয়া থেকে যা ইচ্ছা হয় পড়বে।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->আর এক প্রকার তাশাহহুদ হাঃ-১২৮১

জাবির ইবন আব্দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের তাশাহহুদ শিক্ষা দিতেন যেরূপভাবে আমাদের কুরআনের সূরা শিক্ষা দিতেন তা এইরূপঃ (আরবি)