সহিহ বুখারী অঃ->সালাত বাব->সিজদায় বাহুমূল খোলা রাখা এবং দু’পাশ আলগা রাখা। হাঃ-৩৯০

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সালাতের সময় উভয় বাহু পৃথক রাখতেন। এমনকি তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা যেতো। লাইস (রহঃ) বলেনঃ জা’ফর ইব্‌নু রবী’আহ্‌ (রহঃ) আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ,৩৭৭ ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৩)


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->সিজদার সময় দু’বাহু পার্শ্ব দেশ হতে পৃথক রাখা । হাঃ-৮০৭

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মালিক (রহঃ) যিনি ইব্‌নু বুহাইনা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সালাত আদায় করতেন, তখন উভয় হাত এমন ফাঁক করতেন যে, তাঁর উভয় বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। লায়স (রহঃ) বলেন, জা’ফার বিন বারী’আ (রহঃ) আমার নিকট এ রকম বর্ণনা করেছেন।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->প্রথম বৈঠকে তাশাহ্‌হুদ পড়া । হাঃ-৮৩০

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নু মালিক (রাঃ) যিনি ইব্‌নু বুহাইনা থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করলেন। দু’ রাক‘আত পড়ার পর দাঁড়িয়ে গেলেন অথচ তাঁর বসা জরুরী ছিল। অতঃপর সালাতের শেষভাগে বসে তিনি দু’টো সিজদা করলেন।


সহিহ বুখারী অঃ->মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য বাব->নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) –এর বর্ণনা। হাঃ-৩৫৬৪

‘আবদুল্লাহ্ ইবন মালিক ইবন বুহায়নাহ আসাদিইয়ি (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ‎যখন সাজদাহ্ করতেন, তখন উভয় বাহুকে শরীর হতে এমনভাবে আলাদা করতেন যে, আমরা তাঁর বগল দেখতে পেতাম। ইব্‌ন বুকাইর ‎বলেন, বক্র হাদীস বর্ণনা করে বলেছেন, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখতে পেতাম।


সহিহ মুসলিম অঃ->সালাত বাব->সলাতের সামগ্রিক বৈশিষ্ট্য - যা দিয়ে সলাত শুরু এবং শেষ করতে হবে; রুকু’র বৈশিষ্ট এবং এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; সাজদার বৈশিষ্ট্য ও এর মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করা; চার রাক‘আত বিশিষ্ট সলাতে প্রতি দু’রাক’আত অন্তর তাশাহ্‌হুদ পাঠ; দু’সাজদার মাঝখানে বসা এবং প্রথম বৈঠকের বর্ণনা। হাঃ-৯৯২

‘আবদুল্লাহ ইব্‌নে মালিক ইবনু বুহাইনাহ্‌ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন , রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাত আদায় করার সময় দু’হাত (পাঁজর থেকে) এমনভাবে ফাঁকা রাখতেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা প্রকাশ হয়ে পড়ত। (ই.ফা. ৯৮৬, ই.সে. ৯৯৭)