সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->দু’সিজদার মধ্যে দোয়া হাঃ-১১৪৫

হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নিকট গিয়ে তাঁর পাশে দাঁড়ালেন। তিনি বললেন, (আরবি) তারপর তিনি সূরা বাকারা পড়তে আরাম্ভ করলেন, পরে তিনি রুকূ করলেন। তাঁর রুকূ তাঁর কিয়ামের প্রায় বরাবর ছিল। তিনি রুকূতে বললেন- (আরবি) আর যখন তিনি মাথা উঠালেন, তখন বললেন, (আরবি) আর তিনি তাঁর সিজদায় বলতেন (আরবি) আর তিনি তাঁর দু’সিজদার মধ্যে বলতেন (আরবি)


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->রুকু ও সাজদাহর দু‘আ হাঃ-৮৭৪

হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

একদা রাতে তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে সালাত আদায় করতে দেখলেন। এ সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনবার ‘আল্লাহু আকবার’ বলার পর ‘যুল-মালাকূতি ওয়াল জাবারূতি ওয়াল কিবরিয়াই ওয়াল ‘আযমাতি’ পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সূরাহ বাকারাহ তিলাওয়াত শুরু করেন। এবং তাঁর রুকু ছিলো কিয়ামের সমপরিমাণ সময়। তিনি রুকুতে ‘সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম, ’সুবহানা রব্বিয়াল ‘আযীম পাঠ করেন। অতঃপর রুকু হতে মাথা উঠিয়ে প্রায় রুকুর সমপরিমাণ সময় দাঁড়িয়ে থাকেন এবং এ সময় “লি-রব্বিয়াল হামদ” পাঠ করেন। অতঃপর তিনি সাজদাহয় গিয়ে তাতে কিয়ামের অনুরূপ সময় অবস্থান করেন এবং হে সময় ‘সুবহানা রব্বিয়াল আ’লা’ পাঠ করেন। অতঃপর সাজদাহ হতে মাথা উঠিয়ে দু’ সাজদাহর মাঝে সাজদাহয় অবস্থানের সমপরিমাণ সময় বসে থাকেন এবং এখানে তিনি ‘রব্বিগফিরলী’ পাঠ করেন। এরূপে তিনি চার রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং এ সালাত সূরাহ আল-বাকারাহ, সূরাহ আলে-’ইমরান, সূরাহ নিসা এবং সূরাহ মায়িদাহ অথবা সূরাহ আন’আম তিলাওয়াত করেন।