সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->রুকূ‘ পূর্ণ করার সীমা এবং এতে মধ্যম পন্থা ও ধীরস্থিরতা অবলম্বন । হাঃ-৭৯২

বারা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, সালাতে দাঁড়ানো ও বসা অবস্থা ছাড়া নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রুকূ‘, সিজদা এবং দু’ সিজদার মধ্যবর্তী সময় এবং রুকূ‘ হতে উঠে দাঁড়ানো, এগুলো প্রায় সমপরিমাণ ছিল।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->রুকূ‘ হতে মাথা উঠানোর পর স্থির হওয়া । হাঃ-৮০১

বারা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রুকূ‘ ও সিজদা এবং তিনি যখন রুকূ‘ হতে মাথা উঠাতেন, এবং দু‘ সিজদার মধ্যবর্তী সময় সবই প্রায় সমান হত।


সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->দু’ সিজদার মধ্যে অপেক্ষা করা । হাঃ-৮২০

বারা‘আ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সিজদা, রুকূ‘ এবং দু’ সিজদার মধ্যে বসা প্রায় সমান (সময়ের) হতো।


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->দু’সিজদার মধ্যে বসার পরিমাণ হাঃ-১১৪৮

বারা (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সালাতে তাঁর রুকূ-সিজদা এবং রুকূ থেকে মাথা উত্তোলনের পর দাঁড়ানোর এবং দু’সিজদার মধ্যবর্তী সময় প্রায় বরাবর হতো।


সুনানে আবু দাউদ অঃ->সালাত (নামায) বাব->রুকূ‘ হতে উঠে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানো এবং দু’ সাজদাহর মাঝে দীর্ঘক্ষণ বসা সম্পর্কে হাঃ-৮৫২

আল-বারাআ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রসূলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাজদাহ্, রুকূ’ ও দু’ সাজদাহ্র মধ্যবর্তী বৈঠক প্রায় একই সমান হতো। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।


জামে' আত-তিরমিজি অঃ->সালাত (নামায) বাব->রুকূ ও সাজদাহ্ হতে মাথা তুলে পিঠ সোজা রাখা হাঃ-২৭৯

বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নামাযের নিয়ম ছিলঃ যখন তিনি রুকূ করতেন, যখন রুকু হতে মাথা তুলতেন, যখন সাজদাহ্ করতেন এবং সাজদাহ্ হতে মাথা তুলতেন তখন এ কাজগুলোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান প্রায় সমানই হত। সহীহ্। সহীহ্ আবূ দাঊদ-(৭৯৮), বুখারী ও মুসলিম।