সহিহ বুখারী অঃ->আযান বাব->উভয় হাত কতটুকু উঠাবে । হাঃ-৭৩৮

‘আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু ‘উমর (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে তাকবীর দিয়ে সালাত শুরু করতে দেখেছি, তিনি যখন তাকবীর বলতেন তখন তাঁর উভয় হাত উঠাতেন এবং কাঁধ বরাবর করতেন। আর যখন রুকূ’র তাকবীর বলতেন তখনও এ রকম করতেন। আবার যখন ‘سَمِعَ اللهُ لِمَن حَمِدَه’ বলতেন,তখনও এরূপ করতেন এবং ‘رَبَّناَ وَلَكَ الحَمدُ’ বলতেন। কিন্তু সিজদায় যেতে এরূপ করতেন না। আর সিজদার থেকে মাথা উঠাবার সময়ও এরূপ করতেন না।


সহিহ বুখারী অঃ->জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ বাব->আল্লাহ্‌র বাণীঃ কতক মুখ সেদিন উজ্জ্বল হবে। তারা তাদের প্রতিপালকের দিকে তাকিয়ে থাকবে। (সূরা আল-ক্বিয়ামাহ ৭৫/২২-২৩) হাঃ-৭৪৪২

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহ ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রাতে যখন তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করতেন, তখন বলতেনঃ হে আমাদের প্রতিপালক আল্লাহ্! সব প্রশংসা একমাত্র আপনারই, আসমান ও যমীনের পরিচালক আপনিই এবং আপনারই জন্য সব স্তুতি। আসমান ও যমীন এবং এসবের মাঝের সবকিছুর প্রতিপালক আপনিই এবং আপনারই জন্য সব প্রশংসা। আসমান যমীন ও এগুলোর মধ্যকার সব কিছুর নূর আপনিই। আপনি সত্য, আপনার বাণী সত্য, আপনার ওয়াদা সত্য, আপনার সাক্ষাত সত্য, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য এবং ক্বিয়ামাত সত্য। হে আল্লাহ্! আপনারই জন্য আমি ইসলাম কবূল করেছি এবং আপনারই প্রতি ঈমান এনেছি, আপনারই ওপর ভরসা করেছি, আপনারই কাছে মোকদ্দমা সোপর্দ করেছি, আপনারই কাছে ফায়সালা চেয়েছি। তাই আপনি আমার আগের ও পিছের গোপন, প্রকাশ্য এবং যা আপনি আমার চেয়ে অধিক জানেন তা সবই ক্ষমা করে দিন। আপনি ব্যতীত কোন ইলাহ্‌ নেই। বর্ণনাকারী তাঊস (রহ.) থেকে কায়স ইবনু সা‘দ (রহ.) এবং আবূ যুবায়র (রহ.) قَيّمُ -এর স্থলে قَيَّامُ বর্ণনা করেছেন। বর্ণনাকারী মুজাহিদ বলেন قَيّومُ সবকিছুর পরিচালককে বলা হয়ে থাকে। ‘উমার (রাঃ) قَيَّامُ পড়েছেন। মূলত শব্দ দু’টিই প্রশংসার জন্য ব্যবহৃত হয়। [১১২০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৩৪)


সহিহ মুসলিম অঃ->মুসাফিরদের সালাত ও তার কসর বাব->রাত্রিকালীণ সলাতে দু‘আ ও ক্বিয়াম হাঃ-১৬৯৮

আ’রাজ (রহঃ) থেকে বর্নিতঃ

একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি বলেছেনঃ সলাত শুরু করার সময় রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকবীর বলতেনঃ তারপরে “ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহী” বলতেন। এরপর শেষের দিকে “ওয়া আনা-আও্ওয়ালুল মুসলিমীন” বলতেন। এ হাদীসে তিনি আর বলেছেনঃ যখন তিনি রুকু’ থেকে মাথা উঠাতেন তখন “সামি ‘আল্ল-হু-লিমান হামিদাহ, রব্বানা- ওয়ালাকাল হাম্দ” এবং তিনি “ওয়া সাও্ওয়ারাহূ ফা আহ্সানা সুওয়ারাহূ” –ও বলতেন (অর্থাৎ তিনি আকৃতি দান করেছেন এবং উত্তম আকৃতি দান করেছেন)। এ বর্ণনাতে আরো আছে, তিনি যখন সালাম ফিরাতেন তখন “আল্ল-হুম্মাগ্ ফিরলী মা-ক্বদ্দামতু” কথাটি থেকে শুরু করে পূর্বোক্ত হাদীসের শেষ পর্যন্ত বলতেন। আর তিনি তাশাহুদ ও সালামের কথা বলেননি। (ই.ফা. ১৬৮৩, ই.সে. ১৬৯০)


সুনান নাসাঈ অঃ->সালাত আরম্ভ করা বাব->এ দাঁড়ানো অবস্থায় যা বলতেন হাঃ-১০৬৭

ইব্‌ন আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকূর পর যখন সিজদা করতে ইচ্ছা করতেন তখন বলেতেন (আরবী)।


সুনানে ইবনে মাজাহ অঃ->সালাত আদায় করা ও তার নিয়ম কানুন বাব->রুকূ‘ থেকে মাথা তোলার সময় যা বলবে। হাঃ-৮৭৭

আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ

তিনি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কে বলতে শুনেছেনঃ ইমাম যখন ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে তখন তোমরা বলবে, আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া লাকাল হাম্‌দ’। [৮৭৫]