‘আবদুল্লাহ ইব্নু মালিক (রাঃ) যিনি ইব্নু বুহাইনা থেকে বর্নিতঃ
তিনি বলেন, আল্লাহর রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের নিয়ে যুহরের সালাত আদায় করলেন। দু’ রাক‘আত পড়ার পর দাঁড়িয়ে গেলেন অথচ তাঁর বসা জরুরী ছিল। অতঃপর সালাতের শেষভাগে বসে তিনি দু’টো সিজদা করলেন।
আবূ বাক্র ইবনু ‘আবদুর রহমান (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তিনি আবূ হুরায়রা্(রাঃ)-কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যখন সলাতে দাঁড়াতেন ‘আল্ল-হু আকবার’ বলে সলাত শুরু করতেন। তিনি তাকবীর বলে রুকূ’তে যেতেন। তিনি রুকূ’ থেকে পিঠ সোজা করে দাঁড়ানোর সময় (আরবি) (যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রশংসা করেন আল্লাহ তার কথা শুনে থাকেন) বলতেন। অতঃপর দাঁড়ানো অবস্থায় (আরবি) (হে আল্লাহ! তোমার জন্য সমস্ত প্রশংসা) বলতেন। তিনি তাকবীর সাজদাহ থেকে মাথা তোলার সময়ও তাকবীর বলতেন। প্রত্যেক রাক’আতে সলাত শেষ করা পর্যন্ত তিনি এরূপই করতেন। দ্বিতীয় রাক’আতের বসার পর ওঠার সময়ও তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর আবূ হুরায়রা্(রাঃ) বললেন, আমি তোমাদের সবার তুলনায় অধিক পরিমাণে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর অনুরূপ সলাত আদায় করতে পারি। (ই. ফা. ৭৫২, ই. সে. ৭৬৫)
আবূ বাকর ইবনু ‘আবদূর রহমান এবং আবূ সালামাহ (রাঃ) থেকে বর্নিতঃ
তাঁরা বলেন, আবূ হুরায়রা (রাঃ) প্রত্যেক ফারয ও অন্যান্য সালাত দাঁড়ানো এবং রুকু‘র সময় তাকবীর বলতেন। অতঃপর সাজদাহয় যাওয়ার পূর্বে (দাঁড়িয়ে) বলতেন “সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ” এরপর বলতেন “রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ”। তারপর সাজদাহকালে তিনি আল্লাহু আকবার বলতেন। এরপর সাজদাহ থেকে মাথা উঠানো ও পুনরায় সাজদাহকালে এবং পুনরায় সাজদাহ হতে মাথা উঠানোর সময় তিনি তাকবীর বলতেন। দ্বিতীয় রাক‘আতের বৈঠক হতে দাঁড়ানোর সময়ও তিনি তাকবীর বলতেন। প্রত্যেক রাক‘আতেই তিনি তাকবীর বলতেন। অতঃপর সালাত শেষে তিনি বলতেনঃ সেই সত্তার শপথ! যার হাতে আমার প্রাণ। তোমাদের তুলনায় আমার সালাত রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সাথে অধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুনিয়া ত্যাগের পূর্ব পর্যন্ত এভাবেই সালাত আদায় করতেন। সহীহ : বুখারী, মুসলিমে সংক্ষেপে। ইমাম আবূ দাউদ (রাঃ) বলেন, ইমাম মালিক, যুবায়দী, ও অন্যরা যুহরী হতে ‘আলী ইবনু হুসাইনের সূত্রে এটাকে সর্বশেষ বাক্য বলেছেন। আর ‘আব্দুল আ’লা মা‘মার হতে যুহরীর সূত্রে এ বিশয়ে একমত পোষণ করেছেন।